• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১ মহররম ১৪৪২, ০৩ আশ্বিন ১৪২৭

বিশ্ব করোনা পরিস্থিতি

আক্রান্ত ৩৭ লাখ ৪৭ হাজার : মৃত্যু ২ লাখ ৫৮ হাজার

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২০

image

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে। ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত বিশ্বে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ লাখ ৪৭ হাজার ২৭৫ জন, মারা গেছেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬২ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১২ লাখ ৫০ হাজার ৫৯৬ জন।

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী এ ভাইরাসটি বিশ্বের ২১২টি দেশের মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে। সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোই বেশি হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলেও আক্রান্ত ও মৃত্যু হু হু করে বাড়ছে। করোনায় বিপুল সংখ্যক আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাজ্য (ব্রিটেন), ইতালি, স্পেনসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে। ভাইরাসটির উৎসস্থল চীন আছে বৈশ্বিক সংক্রমণ তালিকার ১১ নম্বরে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিসংখ্যান প্রদানকারী নির্ভরযোগ্য সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের ওয়েবসাইট থেকে গতকাল বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া ৪টায় সংগৃহীত তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, করোনা সংক্রমণের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় যথাক্রমে রয়েছে- যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ইতালি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, রাশিয়া, তুরস্ক, ব্রাজিল ও ইরান। মৃত্যু হিসেবে শীর্ষ পাঁচে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্স।

করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২ লাখ ৩৮ হাজার ৪০ জন। মারা গেছেন ৭২ হাজার ২৮৪ জন, সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২ লাখ ৬৬৯ জন মানুষ। আক্রান্তের হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্পেনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ৫০ হাজার ৫৬১। মারা গেছেন ২৫ হাজার ৬১৩ জন, সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭১৮ জন মানুষ। তৃতীয় স্থানে থাকা ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ১৩ হাজার ১৩ জন। মারা গেছেন ২৯ হাজার ৩১৫ জন, সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৫ হাজার ২৩১ জন মানুষ।

আক্রান্তের হিসেবে চতুর্থ স্থানে এবং মৃত্যুর হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে আছে যুক্তরাজ্য (ব্রিটেন)। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯৯০ জন এবং মারা গেছেন ২৯ হাজার ৪২৭ জন মানুষ। আক্রান্ত এবং মৃত্যু দুই হিসেবেই তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৫১ জন এবং মারা গেছেন ২৫ হাজার ৫৩১ জন মানুষ।

সংক্রমণের হিসেবে লাখের উপরে আছে জার্মানি (১ লাখ ৬৭ হাজার), রাশিয়া (১ লাখ ৬৫ হাজার), তুরস্ক (১ লাখ ২৯ হাজার) ও ব্রাজিল (১ লাখ ১৫ হাজার)। ইরানেও সংক্রমণ লাখ ছুঁইছুঁই (৯৯ হাজার ৯৭০)।

জার্মানিতে মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৯৯৩ জনের, রাশিয়ায় ১ হাজার ৫৩৭ জনের, তুরস্কে ৩ হাজার ৫২০ জনের, ব্রাজিলে ৭ হাজার ৯৫৮ জনের এবং ইরানে মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৩৪০ জন মানুষের।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯ হাজার ৪৩৬ জন। মারা গেছেন ১ হাজার ৬৯৫ জন, সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৪ হাজার ১৮৩ জন মানুষ।

পাকিস্তানে আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৫৫০ জন। মারা গেছেন ৫২৬ জন, সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬ হাজার ২১৭ জন মানুষ।

বাংলাদেশে আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৭১৯ জন। মারা গেছেন ১৮৬ জন, সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ হাজার ৪০৩ জন মানুষ।

গত ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের উৎপত্তি। সেখান থেকে ভাইরাসটি বিশ্বের ২১২টি দেশে ছড়িয়ে মহামারী রূপ নেয়। প্রায় চার মাসের লড়াইয়ে করোনা মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আনে চীন। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮২ হাজার ৮৮৩ জন এবং মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৩৩ জন মানুষ। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭৭ হাজার ৯১১ জন মানুষ।

করোনা চীনের ল্যাব থেকেই সৃষ্টি এমন অভিযোগ তোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ তার মিত্র রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা। যদিও চীন বার বার এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তবে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণা সংস্থাগুলোও বলছে, করোনা চীনের ল্যাবে নয়, প্রাকৃতিকভাবেই সৃষ্টি।

সম্প্রতি চীনে ফের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়েছে। সংক্রমণের কারণে দেশটির উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় হেইলংজিয়াং প্রদেশের হারবিন শহর লকডাউন করা হয়েছে।