• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবন ১৪২৫, ১৪ জিলকদ ১৪৪০

নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা

নির্দেশদাতা অধ্যক্ষ সিরাজ

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , রোববার, ১৪ এপ্রিল ২০১৯

image

  • হত্যাকান্ডে জড়িত ১৩ জন
  • সরাসরি আগুন দেয় শাহাদাতসহ ৪ জন

সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা করার কারণেই নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। অধ্যক্ষ সিরাজ জেলে বসে ছাত্র নুর উদ্দিনকে কিলিং মিশন বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে বৈঠক করা হয় ঘটনার একদিন আগে। হত্যা মিশনে সরাসরি জড়িত শাহাদাত হোসেন শামিমসহ ৪ জন। সব মিলিয়ে সম্পৃক্ত ১৩ জন। এর মধ্যে ২ জন নারী।

আলোচিত এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে প্রাথমিকভাবে এমন তথ্য পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআইয়ের প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার।

নুসরাত হত্যা মামলায় এজাহারনামীয় ৭ আসামিসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে এ ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে এমন ৭ জন হলেনÑ অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, হত্যার পরিকল্পনাকারী ও অংশগ্রহণকারী মাদ্রাসা ছাত্র নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামিম, জুবায়ের আহমেদ, জাবেদ হোসেন, মাদ্রাসার শিক্ষক আশরাফ উদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর মাকসুদ আলম। তবে শাহাদাত হোসেন শামিমকে এখনও মামলায় আনুষ্ঠানিক গ্রেফতার দেখানো হয়নি। আরও ৬ জনকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে, যারা কিলিং মিশনে জড়িত ছিল। তদন্তের স্বার্থে ওই ৬ জনের নাম প্রকাশ করা হয়নি। ওই ৬ জনকে গ্রেফতারে শামিমকে সঙ্গে নিয়ে পিবিআই টিম অভিযান চালাচ্ছে। সারাদেশে পিবিআইয়ের জেলা অফিসগুলোতে তাদের ছবি পাঠানো হয়েছে।

ধানমন্ডিতে পিবিআইয়ের সদর দফতরে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জিআইজি বনজ কুমার মজুমদার আরও জানান, গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলার শ্লীলতাহানির শিকার হন ওই মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফি। এ ঘটনায় মামলা করা হলে জেলে যেতে হয় অধ্যক্ষ সিরাজকে। সিরাজ উদ দৌলার জেলে যাওয়ার বিষয়টি মেনে নিতে পারেনি তার অনুসারী ছাত্র, শিক্ষক ও মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। এ ঘটনায় আলেম সমাজকে হেয় করা হয়েছে বলে প্রচার শুরু করে সিরাজের অনুসারী নুর উদ্দিন, জুবায়ের আহমেদ, শাহাদাত হোসেন শামিম, আবদুল কাদের, জাবেদ হোসেন, ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, শিক্ষক আফসার উদ্দিনসহ একটি গ্রুপ। তারা অধ্যক্ষ সিরাজকে ভালো মানুষ প্রমাণ করার পরিকল্পনা নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানির অভিযোগটি ভুয়া বলে প্রচার শুরু করে। পাশাপাশি তারা সিরাজের মুক্তির দাবিতে একটি কমিটিও গঠন করে।

৪ এপ্রিল অধ্যক্ষ সিরাজের সঙ্গে জেলখানায় দেখা করে নুর উদ্দিন। ওইদিন সিরাজ নুর উদ্দিনকে বলেন- কিরে তোরা আমার জন্য কি করেছিস। জবাবে নুর উদ্দিন বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি। জেলখানায় দীর্ঘ সময় নুর উদ্দিন ও সিরাজ উদ দৌলা সলাপরামর্শ করে। পরদিন ৫ এপ্রিল মাদ্রাসার পশ্চিম ছাত্রাবাসে ৫ জনকে নিয়ে বৈঠক করে নুর উদ্দিন। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলো- জুবায়ের হোসেন, শাহাদাত হোসেন শামিম, জাবেদ হোসেন, হাফেজ আবদুল কাদের। বৈঠকে নুর উদ্দিন জানায় নুসরাতকে হত্যার নির্দেশনা পাওয়া গেছে হুজুরের কাছ থেকে (অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা)। বৈঠকে উপস্থিত শাহাদাত হোসেন শামিম নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার মত দেয়। তার মতের সঙ্গে একমত পোষণ করে বৈঠকে উপস্থিত জুবায়ের হোসেন, আবদুল কাদেরও। রাত ৯টার পর নুসরাতকে হত্যার পরিকল্পনার বিষয়টি ২ ছাত্রীসহ আরও ৫ জনকে জানানো হয়। কিভাবে এ মিশন বাস্তবায়ন করা হবে সেজন্য একটি ছক আঁকে খুনিরা। পরিকল্পনা মোতাবেক ৬ এপ্রিল নুসরাতকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ডিআইজি বনজ কুমার জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী দুজন মেয়ের (মাদ্রাসার ছাত্রী) মধ্যে একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয় ৬ এপ্রিল পরীক্ষা দিতে আসলে নুসরাতকে যেকোন উপায়ে সাইক্লোন সেল্টারে পাঠানোর। আরেকজনকে ৩টি বোরকা, কেরোসিন ও ম্যাচ সংগ্রহ করে ছাদে পৌঁছানোর দায়িত্ব দেয়া হয়। পরিকল্পনা মোতাবেক পরীক্ষা শুরুর আগেই চম্পা অথবা শম্পা নামে এক ছাত্রী কোরোসিন ও বোরকা নিয়ে ছাদে যায়। ওই সময় আরও ৩ জন ছাত্র ছাদে বাথরুমের মধ্যে লুকিয়ে থাকে। ছাদে থাকা ৪ জনের মধ্যে এক নারী ও ৩ জন পুরুষ ছিল। এর মধ্যে নারীর নাম চম্পা। আর ৩ পুরুষের মধ্যে একজন শাহাদাত হোসেন শামিম। পরিকল্পনা অনুযায়ী নুসরাতের বান্ধবী নিশাতকে ছাদে মারধর করার খবরটি জানানো হয়। ওই ছাত্রীর কথায় বিশ্বাস করে নুসরাত ছাদে গেলে ৪ জন মিলে নুসরাতের গায়ে থাকা ওড়না দিয়ে তার হাত-পা বেঁধে ফেলে। পরে কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়ে ৪ হত্যাকারী সিঁড়ি বেয়ে নিচে দ্রুত নেমে পড়ে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নুসরাতকে হত্যায় অন্যদের মধ্যে এক গ্রুপের দায়িত্ব ছিল গেটে পাহারা দেয়া এবং হত্যাকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া।

আগুন দিয়ে খুনিরা লুকিয়ে থাকে অধ্যক্ষের কক্ষে : পরিকল্পনা অনুযায়ী নুসরাতকে হত্যায় অংশগ্রহণকারীরা প্রথমে অধ্যক্ষের কক্ষে আশ্রয় নিয়েছিল বলে মনে করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। সংশ্লিষ্টদের মতে, যে ভবনের ছাদে নুসরাতকে আগুন দেয়া হয় ওই ভবনের ছাদে দুটি টয়লেট আছে। নিচে অধ্যক্ষের কক্ষ এবং ক্লাসরুম। ভবনের ছাদে যাওয়ার জন্য এবং বেরিয়ে আসার জন্য একমাত্র পথ সিঁড়ি। অন্য কোনভাবে ছাদ থেকে নামার উপায় নেই।

তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা কিলিং মিশনে অংশ নিতে শাহাদাত হোসেন শামিমসহ ৪ জন সকাল ৯টার আগেই মাদ্রাসায় প্রবেশ করে। নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে দিয়ে দ্রুত তারা আবার অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে পড়ে। নুসরাতের গায়ে আগুনের ঘটনায় হৈ চৈ পড়ে গেলে পুলিশসহ অন্যরা তাকে উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এ সুযোগে খুনিরা বোরকা খুলে লোকজনের ভিড়ে মিশে যায়।

এদিকে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, ২৭ মার্চ নুসরাতকে পিওন নুর ইসলাম ওরফে নুরুর মাধ্যমে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি করে অধ্যক্ষ সিরাজ। ওই সময় নুসরাতের দুই বান্ধবী ফুর্তি ও নিশাত অধ্যক্ষের কক্ষের বাইরে অবস্থান করছিল। ফুর্তি ও নিশাতকে কক্ষের বাইরে থাকতে বলেন অধ্যক্ষ সিরাজ। এক পর্যায়ে পিওন দীর্ঘ সময় পর অধ্যক্ষের কক্ষে গিয়ে দেখতে পায় নুসরাত ফ্লোরে মাথা নিচু করে কান্নাকাটি করছে। নুর ইসলাম নুসরাতকে বের করে নিয়ে আসার পর বাড়ি গিয়ে ঘটনাটি সে তার মাকে জানায়। অধ্যক্ষের অপকর্মের কথা শুনে প্রতিবাদ জানাতে ছোট ছেলে রায়হানকে নিয়ে মাদ্রাসায় আসে নুসরাতের মা। বিপদ আঁচ করতে পেরে সিরাজ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে মাদ্রাসা কমিটির সদস্য ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদকে মাদ্রাসায় ডেকে আনে। একই সময় ছাত্র নুর উদ্দিন, জুবায়ের, শাহাদাত হোসেন শামিমসহ কয়েকজনকে লাঠিসোটা নিয়েও আসতে বলে। তাদের নির্দেশ দেয়া ছিল নুসরাতের ভাই রায়হানকে মারপিট করা। একই সময় অধ্যক্ষ সিরাজ সোনাগাজী থানা থেকে পুলিশও নিয়ে আসে নুসরাতের মা ও ভাইকে ধরিয়ে দিতে। তবে শ্লীলতাহানির ঘটনাটি প্রমাণিত হওয়ায় অধ্যক্ষ সিরাজকে পুলিশ আটক করে। এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে ম্যানেজিং কমিটির কতিপয় সদস্য, স্কুলের শিক্ষক এবং মাদ্রাসাছাত্রদের একাংশ। এর আগে নুসরাতকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় সোনাগাজী মাদ্রাসার ছাত্রলীগ সভাপতি শামিম চেয়েছিল নুসরাতকে শাস্তি দিতে।

শ্লীলতাহানির মামলাও তদন্ত করবে পিবিআই : পিবিআইয়ের ডিআইজি জানান, হত্যা মামলার সঙ্গে শ্লীলতাহানির মামলার যোগসূত্র থাকায় শ্লীলতাহানির মামলাটিও তদন্ত করবে পিবিআই।

আরও এক আসামির ৭ দিনের রিমান্ড

ফেনী, প্রতিনিধি জানান, নুসরাত জাহান রাফিকে (১৮) কেরোসিন ঢেলে হত্যা মামলার ৬ নম্বর আসামি জাবেদ হোসেনকে ৭ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। শনিবার ফেনী সদর আমলি আদালতের অবকাশকালীন বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে আছে যারা : গ্রেফতারকৃত ১৩ জনের মধ্যে শনিবার জাবেদ হোসেনসহ মোট ১০ জন রিমান্ডে রয়েছে। এদের মধ্যে ৯ এপ্রিল মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সরাফ উদ্দিন আহম্মেদের আদালতে নুর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ও শাহিদুল ইসলামকে ৫ দিন, পরদিন ১০ এপ্রিল অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদ দৌলাকে ৭ দিন, আবছার উদ্দিন ও আরিফুল ইসলামকে ৫ দিন ও ১১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার একই আদালত উম্মে সুলতানা পপি ও যোবায়ের হোসেনকে ৫দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন একই আদালত।

গ্রেফতারকৃতরা হলো : নুসরাত হত্যাকান্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত আট আসামির মধ্যে সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও পিবিআই। ছয়জন রয়েছে সন্দেহভাজন গ্রেফতার। ৭ নং আসামি হাফেজ আব্দুল কাদের পলাতক। পুলিশ ও পিবিআই এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- (আসামির ক্রমে) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলা, মাদ্রাসার ছাত্র নুর উদ্দিন, মাদ্রাসার ছাত্রলীগ সভাপতি শাহাদাত হোসেন শামিম, সোনাগাজী পৌর কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকছুদ আলম, জোবায়ের আহম্মেদ, জাবেদ হোসেন, মাদ্রাসার ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক আবছার উদ্দিন এবং সন্দেহভাজন গ্রেফতার রাফির সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, অধ্যক্ষ সিরাজের শ্যালিকার মেয়ে উম্মে সুলতানা পপি, নুর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন ও শাহিদুল ইসলাম।

নুসরাতের বাড়িতে বিএনপি নেতারা : গতকাল বিকেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদসহ কেন্দ্রীয় নেতারা আগুনে দগ্ধ হয়ে নিহত নুসরাতের গ্রামের বাড়ি সোনাগাজীতে যায়। এ সময় নেতারা নিহত নুসরাত জাহান রাফির পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান।

  • স্বাগত ১৪২৬

    মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা

    newsimage

    ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’- বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি

  • রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার শুভেচ্ছা

    বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা

  • ভোর থেকে সন্ধ্যা

    বাংলা বর্ষবরণ উৎসব

    রাজধানীতে বিভিন্ন সংগঠনের কর্মসূচি

    আজি নবরূপে সাজিয়ে নাও পূর্ণ করে প্রাণ, পুরাতন কালো ঝেড়ে ফেলে দাও

  • শুভেচ্ছা

    বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ উপলক্ষে সংবাদ-এর পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা। -সম্পাদক

  • নুসরাত হত্যা, নারী ও শিশুর ওপর বর্বরতা

    নিন্দা প্রতিবাদ বিক্ষোভ অব্যাহত

    newsimage

    ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির হত্যাকান্ডের বিচার এবং নারী ও

  • যুক্তরাষ্ট্রের বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

    বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বাংলা ভাষাভাষীদের ‘শুভ নববর্ষ’ জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

  • বর্ষবরণে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি

    যান চলাচলে বিশেষ ব্যবস্থা

    বর্ষবরণ উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক নিরাপত্তার প্রস্তুতি নিয়েছে। বাঙালির এই

  • ফলোআপ : গোপালগঞ্জ

    অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার

    বাবা-মাকে খুঁজে পাওয়া গেছে : ধর্ষকের পক্ষে ইউপি মেম্বারের হুমকিতে পালান তারা

    গোপালগঞ্জে ধর্ষণের আলমত ধ্বংসের উদ্দেশ্যে অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের পর

  • ছুটি

    বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আজ ১৪ এপ্রিল রোববার সংবাদ-এর সব বিভাগে ছুটি থাকবে।