• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৫, ২৩ জিলহজ ১৪৪০

ক্যাবের প্রতিবেদন

জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬ শতাংশ

    সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , রোববার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৯

সদ্য সমাপ্ত ২০১৮ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ৬ শতাংশ। একইসঙ্গে পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ক্যাব) দ্রব্যমূল্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিষয়ক বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রাজধানীর ১৫টি খুচরা বাজার ও বিভিন্ন সেবার মধ্য থেকে ১১৪টি খাদ্যপণ্য, ২২টি নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী ও ১৪টি সেবার তথ্য পর্যালোচনা করে ক্যাব এই হিসাব করেছে।

তবে হিসাবে শিক্ষা, চিকিৎসা ও প্রকৃত যাতায়াত ব্যয় বাদ দেয়া দেয়া হয়েছে।

গতকার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে জীবনযাত্রার ব্যয়ের এই হিসাব প্রকাশ করেন ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান। সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা এম শামসুল আলমসহ অনুষ্ঠানে ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন। দেশের মোট জনসংখ্যার বড় অংশ গ্রামে থাকলেও নিজেদের সামর্থ্যরে অভাবে ব্যয়ের সার্বিক চিত্র তুলে আনা সম্ভব হয়নি জানিয়ে ক্যাব সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, শহুরে এই হিসাব সার্বিক চিত্র সম্পর্কে একটি আংশিক ধারণা দেবে।

ক্যাবের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে আগের বছরের তুলনায় সব ধরনের চালের গড় মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। তবে গত বছর সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে প্রসাধনী পণ্য সাবানের। পণ্যটি গড়ে বেড়েছে ২০ শতাংশ। অন্যান্য পণ্যের মধ্যে মাছের দাম বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ, শাকসবজির গড়ে দাম বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। তরল দুধে বেড়েছে ১০ দশমিক ৩৩ শতাংশ, মাংসে ৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ডিম বেড়েছে ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ, চা-পাতায় বেড়েছে ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। দুই কক্ষ বিশিষ্ট বাড়ি ভাড়া ৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া শাড়ি কাপড়, নারিকেল তেল, ওয়াসার পানি প্রভৃতি জিনিসের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে গত বছর তার আগের বছরের তুলনায় ডাল, লবণ, মসলা, চিনির দাম কমেছে।

এই ব্যয়বৃদ্ধি যৌক্তিক কি না- সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে গোলাম রহমান বলেন, ব্যয় বৃদ্ধির এই হার ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ভিন্ন রকম ফল বয়ে আনতে পারে। ব্যয় অনুপাতে একজন ব্যক্তির আয় বৃদ্ধি না পেলে তো সেটা স্বস্তিদায়ক হবে না। আয় বৃদ্ধির ওপর আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। যদি ব্যয় বৃদ্ধির তুলনায় মানুষের আয় বৃদ্ধি হয় তাহলে সেটাই হবে স্বস্তিদায়ক। ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, বিগত বছর আমদানি শুল্ক বাবদ এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা দিতে হয়েছে ভোক্তাদের। এটি প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ভোক্তাদের ওপর থেকে এই শুল্কের হার কমাতে হবে।