• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ১২ ফাল্গুন ১৪২৫, ১৮ জমাউস সানি ১৪৪০

কঠোর অবস্থানে সরকার

কোচিং সেন্টারে তালা

সংবাদ :
  • রাকিব উদ্দিন

| ঢাকা , সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

image

কোচিং বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে কোচিং সেন্টার খোলা রাখায় এগুলোর বিরুদ্ধে সারাদেশে জোরালো অভিযান চলছে। দুদক, র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশ পৃথকভাবে কোচিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছেন। গত ২৭ জানুয়ারি থেকে গতকাল পর্যন্ত শতাধিক শিক্ষক, কোচিং সেন্টারের পরিচালককে কারাদন্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে। সিলাগালা করে দেয়া হয়েছে দুই ডজনের বেশি কোচিং সেন্টার।

গত ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছে এবারের এসএসসি পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নিরাপত্তাজনিত কারণে গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক মাস দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশনা রয়েছে সরকারের।

‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ উপেক্ষা করে সম্প্রতি দেশব্যাপী বেপরোয়া কোচিং বাণিজ্য চলছে। এ নিয়ে অভিভাবক-শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ, সরকারি প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্তরে নানা রকম সমালোচনা হচ্ছে। এর আলোকেই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সারাদেশেই অবৈধ কোচিং কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছেন। এ ব্যাপারে ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ প্রণয়ন কমিটির সদস্য সচিব ও জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক প্রফেসর শেখ ইকরামুল কবির সংবাদকে বলেন, ‘বাণিজ্যিক ভিত্তিতে যে কোচিং কার্যক্রম সেটা বন্ধ করতে হবে। তবে নীতিমালায়, স্বল্প টাকায় দুর্বল ছাত্রছাত্রীদের যে কোচিংয়ের কথা বলা হয়েছে সেটা চালু রাখতে হবে। কিন্তু সমস্যা হলো- দুর্বল শিক্ষার্থীদের সুযোগ নিয়ে সব শিক্ষার্থীকে কোচিং করতে বাধ্য করছে স্কুল-কলেজগুলো; এটা মেনে নেয়া যায় না। অভিভাবকদের এই আর্থিক বোঝা থেকে মুক্ত করতে হবে।’

কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানকে সমর্থন করে এই শিক্ষাবিদ বলেন, ‘কোচিং বন্ধের নীতিমালা বাস্তবায়ন কীভাবে হবে সেটাই বড় বিষয়। এটা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে, আংশিক নয়।’

আর গত ৭ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য বন্ধে সরকারের করা নীতিমালা বৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। এই রায়ের ফলে সরকারি-বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ কার্যকর হচ্ছে। এতে করে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য সব প্রতিষ্ঠানে কোচিং বাণিজ্য বন্ধ থাকবে বলে ওইদিন সাংবাদিকদের জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান। এ সংক্রান্ত পৃথক পাঁচটি রিটের শুনানি শেষে এই রায় ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত।

উচ্চ আদালত কোচিং বাণিজ্য বন্ধের রায় দেয়ার পর দেশব্যাপী কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান আরও জোরালো করা হয়েছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে কোচিংবাজ শিক্ষক ও কোচিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে। আবার কেউ কেউ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই কোচিং বাণিজ্য অব্যাহত রাখছেন। অনেক শিক্ষক স্বেচ্ছায় কোচিং কার্যক্রম ছেড়ে দিয়েছেন; আবার যারা নিজ বাসায় দু’চারজন শিক্ষার্থী পড়াতেন তাদের কেউ কেউ তাও বন্ধ রেখেছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রবীণ শিক্ষক নেতা ও ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ প্রণয়ন কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ কাজী ফারুক আহমেদ সংবাদকে বলেন, ‘সারাবিশ্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:৩০; আমাদের শিক্ষানীতিতে এটা ১:৪০ রেখেছি, সেটাও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সম্পর্কেই শিক্ষককে জানতে হবে। এদের সুবিধা-অসুবিধা বুঝতে হবে; সেটা কী সম্ভব হচ্ছে?’

পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কোচিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে এই শিক্ষাবিদ বলেন, ‘কিন্তু কারা কোচিং সেন্টার চালাচ্ছেন? কারা এগুলোর অনুমোদন দিচ্ছেন? যারা শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় তারাই কোচিং সেন্টার খুলে বসছেন; তাদের আবার লাইসেন্স দিচ্ছে সিটি করপোরেশন। আর পাবলিক পরীক্ষার সময় এই কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এভাবে এই সমস্যার সমাধান আসবে না। তাছাড়াও এক শ্রেণীর বাপ-মা, শিক্ষার্থী বেশি নম্বর পেতে অসুস্থ প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছে। তারা সন্তানদের কোচিং সেন্টারে পাঠাচ্ছেন।’

কোচিংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান : গতকাল রাজধানীর ফার্মগেট ও ঝিগাতলা এলাকায় ‘মরডিক’ নামের একটি কোচিং সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ১৭ জন ব্যক্তিকে কারাদ- ও আর্থিক জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি ছয়টি কোচিং সেন্টার সিলগালা করে দিয়েছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এর মধ্যে ঝিগাতলায় জয়যাত্রা কোচিং সেন্টারের কেএম নুরুল্লাহ হাসান, শহিদুল আলম, রফিকুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম ও জসিমকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

একই এলাকার অন্য ড্রিমস অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি কোচিং সেন্টারের রেজাউল হাসান ইমনকে এক হাজার টাকা জরিমানা এবং ব্লেইজ কোচিং সেন্টারের সাইফুল ইসলাম, ইয়াসিন আরাফাত ও মাসরুব ওয়াহেদকে তিন হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

ফার্মগেটের বিডিক কোচিং সেন্টারের মাঈন উদ্দিন চৌধুরী, সাব্বির হোসেন, পার্থ রায় ও শরিফকে এক মাসের কারাদন্ড এবং হৃতিক দেবনাথকে ১৫ দিনের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এস কোচিং সেন্টারের কামরুল হাসান, নূর আলম ও রাজু সরকারকে এক মাসের কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার এসএসসির গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে টাঙ্গাইলের একটি কোচিং সেন্টারের পরিচালকসহ দু’জনকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ওইদিন টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, এসএসসির গণিত পরীক্ষা শুরুর দশ মিনিট আগেই ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে ‘শ্যামল’ কোচিং সেন্টারের পরিচালক শ্যামল সাহা এবং সাগরদিঘি উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি আব্দুর রহমানকে নৈর্ব্যত্তিক প্রশ্নসহ আটক করে পুলিশ। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব হুমায়ুন খালিদের যোগসাজশ চিহ্নিত করে পুলিশ। হুমায়ুন খালিদ শ্যামল কোচিং সেন্টারের অন্যতম পরিচালক। তিনি তারই স্কুলের দফতরি আবদুর রহমানকে দিয়ে কোচিং সেন্টারের মালিক শ্যামল সাহার কাছে প্রশ্নপত্র পাঠান। পুলিশ দফতরি ও শ্যামল সাহাকে আটক করে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে কেন্দ্র সচিবের যোগসাজশ চিহ্নিত হলে ম্যাজিস্ট্রেট এম আল মামুনের নেতৃত্বে শ্যামল ও হুমায়ুন খালিদকে এক মাস করে কারাদ- দেয়া হয়। মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় পিওন আবদুর রহমানকে।

এদিকে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোচিং সেন্টার পরিচালনার অপরাধে গত ৩১ জানুয়ারি ছয় জন শিক্ষককে আটক করে র?্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা।

আটকরা শিক্ষকরা হলেন- ‘অন্তর ইংলিশ টিচিং সেন্টার’ এবং ‘প্রত্যয় কোচিং সেন্টার’ নামক প্রতিষ্ঠানের নৃপেন বসু, অসীম মন্ডল, পলাশ মন্ডল, অখীল কুমার পাল, আরিফুজ্জামান ও রাকিব হাসান।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি সদর বরিশাল উপজেলার কর্নকাঠী ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে কনফিডেন্স কোচিং সেন্টারের তিন পরিচালককে সরকারি নির্দেশ অমান্য করার দায়ে এক হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম মোজাম্মেল হক চৌধুরী ও রেজোয়ানা কবির।

জরিমানা করা কোচিং সেন্টারের তিন পরিচালক হলেন শাহাবুল ইসলাম, শফিউল ইসলাম ও কামরুজ্জামানকে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০১২ সালের ২০ জুন কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা জারি করে। পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ৪ মে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) এই নীতিমালা অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে একটি আদেশ জারি করে। এই নীতিমালা জারির শুরুর দিকে কড়াকড়ির কারণে কোচিং-প্রাইভেট কিছুটা নিয়ন্ত্রণ হলেও কিছুদিন পর শিক্ষকরা আবারও আগের মতো কোচিং-প্রাইভেটে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

এ নিয়ে বারবার সমালোচনার মুখে পরতে হচ্ছে শিক্ষা প্রশাসনকে। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি দমনে তাদের অভিযান সম্প্রসারিত করেছেন। কয়েক দফা কোচিংবাজ শিক্ষকদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।

নীতিমালায় অনুযায়ী সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার কোন শিক্ষক তার নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না। তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিয়ে একদিনে অন্য প্রতিষ্ঠানের সীমিত সংখ্যক (১০ জনের বেশি নয়) শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতে পারবেন। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে ছাত্রছাত্রীর তালিকা, রোল, নাম ও শ্রেণি উল্লেখ করে জানাতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, অভিভাবকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সময়ের আগে বা পরে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে পারবেন। এক্ষেত্রে মহনগরী এলাকার প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাসে ৩০০ টাকা, জেলা পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০০ টাকা এবং উপজেলা ও অন্যান্য এলাকার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা নেওয়া যাবে। তবে প্রতিষ্ঠান প্রধান ইচ্ছা করলে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের এই অতিরিক্ত কোচিংয়ের টাকা কমাতে বা মওকুফ করতে পারবেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ক্লাস নেয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালায় বলা হয়েছে, একটি বিষয়ে মাসে কমপক্ষে ১২টি ক্লাস নিতে হবে, প্রতি ক্লাসে সর্বোচ্চ ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ নিতে পারবে।

নীতিমালা অগ্রাজ্য করলে শাস্তি : কোচিং বাণিজ্য বন্ধের নীতিমালায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে সরকারি-বেসরকারি স্কুল (নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক), কলেজ (উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর), মাদ্রাসা (দাখিল, আলিম, ফাজিল, কামিল) ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তাঁর এমপিও স্থগিত থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত পর্যন্ত করা যাবে। এমপিও’র বাইরের কোন শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন-ভাতা স্থগিতের পাশাপাশি তাঁকে বরখাস্ত করা যাবে। কোচিংবাজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সরকার পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়াসহ প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা অধিভুক্তি বাতিল করতে পারবে। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষক কোচিং-বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করে তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫-এর অধীনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।