• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ রজব সানি ১৪৪১

প্রদর্শনের অনুমতি পেল নিরবের মালয়েশিয়ান ছবি

    সংবাদ :
  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

image

আতাইকা ও নিরব হোসাইন অভিনীত প্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ‘বাংলাশিয়া ২.০’। চলতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি সেটি মালয়েশিয়ার ১১৬টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। প্রথম দিন এটি আয় করে ২ লাখ ২০ হাজার রিঙ্গিত। এটা ছবির পরিচালক নেমইউরের অন্যতম রেকর্ড ছিল। চলচ্চিত্রটি এবার বাংলাদেশে প্রদর্শনের অনুমতি পেয়েছে। সম্প্রতি তথ্য মন্ত্রণালয় প্রদর্শনের অনুমতি দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্রটির নায়ক ও বাংলাদেশ সমন্বয়ক নিরব।

তিনি জানান, ‘চিত্রনির্মাতা অনন্য মামুনের প্রযোজনা সংস্থা অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারে ছবিটি বাংলাদেশে প্রদর্শিত হবে। ছবিটি মালয়েশিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। তাই চাচ্ছিলাম, এটি বাংলাদেশেও আসুক। এখন চলছে এর ডাবিংয়ের কাজ। সেটা সম্পন্ন হলে দ্রুত আমরা ছবিটি বাংলাদেশ সেন্সর বোর্ডে জমা দেব। এরপর নভেম্বরে চলচ্চিত্রটি দেশের পর্দায় আনার পরিকল্পনা আমাদের। ’

২০১৩ সালে শুটিং শেষ হয়েছিল ‘বাংলাশিয়া’র। কিন্তু মালয়েশিয়া সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকায় মুক্তি আটকে যায়। অবশেষে জটিলতা কাটিয়ে দেশটিতে ২৮ ফেব্রুয়ারি ১০৬টি হলে মুক্তি পায় সিনেমাটি। ৯২ মিনিটের এ সিনেমাটির নাম প্রথমে ‘মাংগালা কাউবয়’ থাকলেও পরে এর নামকরণ করা হয়েছে ‘বাংলাশিয়া ২.০’। এতে বাংলাদেশের নিরবের বিপরীতে অভিনয় করেছেন সিঙ্গাপুরের মডেল-অভিনেত্রী আতিকা সোহাইমি। এর বিশেষ একটি চরিত্রে পরিচালক নিজেও অভিনয় করেছেন। চলচ্চিত্রটি বাংলা ভাষাসহ মোট ৬টি ভাষায় ডাবিং হয়েছে। ভাষাগুলো হলো- মালে, চায়না, তামিল, থাই ও ইংরেজি। এর দৃশ্যধারণের কাজ হয়েছে মালয়েশিয়ার পুচং, সেরামবান, কালাং, চায়না টাউন, পোর্টকালংসহ বিভিন্ন জায়গায়।

দেশটিতে নানা ধরনের অপরাধ এবং প্রবাসীদের সঙ্গে অসদাচরণ নিয়ে ছবিটির গল্প। এখানে নিরবকে দেখানো হয়েছে বাংলাদেশ থেকে ভাগ্যের সন্ধানে মালয়েশিয়া যাওয়া এক যুবকের চরিত্রে। যে কখনও বাবুর্চি, কখনও আবার আকাশছোঁয়া দালানে চুনকাম করছেন। ঘটনাক্রমে সে দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলে। শেষভাগে তার মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর আগে চরিত্রটি একটি বার্তা দিয়ে যায় মালয়েশিয়ানদের। সেটি হলো- ঝগড়া নয়, মানুষের সঙ্গে মিলেমিশে থাকো। মূলত, এসব কারণেই ছবিটি আলোর মুখ দেখার আগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।