• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ১৩ সফর ১৪৪২, ১৬ আশ্বিন ১৪২৭

নাটকের শুটিং শুরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় টনি ডায়েস

    সংবাদ :
  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • | ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২০

image

আমেরিকায় প্রবাসে থেকেও করোনার এই সংকটরে সময়ে বাংলাদেশে টিভি এবং সিনেমায় শুটিংয়ে যেসব নেপথ্য কর্মী কাজ করেন তাদের আর্থিক সাহায্যার্থে, ডোনেশন পেইজের মাধ্যমে ফান্ড জোগার করে তা দেশে পাঠাচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেতা টনি ডায়েস। এছাড়াও করোনা সংকটের শুরু থেকেই তিনি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমকে অবলম্বন করে দেশের মানুষকে নানা ভাবে শতর্ক করে চলছেন। এরি মধ্যে তিনি ১০ হাজার ডলার জোগার করে দেশে পাঠিয়েছেন, আরো ৫ হাজার ডলার জোগার হয়েছে এবং এখনো ফান্ড জোগারের কাজ অব্যহত আছে বলে জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু এরি মধ্যে হঠাৎ বাংলাদেশে নাটকের শুটিং শুরু হওয়ার

ঘটনায় টনি ডায়েস অবাক হয়েছেন এবং বাংলাদেশের শিল্পী কলাকুশলীদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন। টনি ডায়েস বলেন, ‘আমি পরিস্থিতি এবং বাস্তবতাকে বেশি গ্রহণ করি, সেই জন্যেই আমেরিকায় চলে আসা। বাংলাদেশ আমার দেশ তাই আমেরিকায় থাকলেও দুইটা দেশের খবরই আমি সবসময়ই রাখি। নিউ ইয়র্ক সংকট কাটিয়ে উঠেছে, ১৫ তারিখ থেকে লকডাউন উঠে গেছে, তবুও করোনাকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের যুদ্ধটা হয়ত আরো একবছর করতে হবে। কিন্তু আমাদের দেশে এখন সংক্রমণ পিকের দিকে। তাই সরকারের আরো কঠোর হওয়া উচিৎ। কিন্তু শুনছি শপিংমল, দোকান সহ অনেক কিছুই খুলে দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ে শুটিং এর অনুমতির সিদ্ধান্তটাও আমাকে ভীষণ ভাবনায় ফেলেছে। কারণ এই অঙ্গনটা আমার, এখান থেকেই আমার আজকের পরিচিতি। এই সিদ্ধান্তটা ধিরে সুস্থে ঈদের পরে নিলেও পারত। আমার দেশ সম্পর্কে আমিত খুব ভালো করেই জানি। ঈদের ঠিক আগ মুহুর্তে শুটিং শিথিল করায় এখন একটা জটিল অবস্থার তৈরি হবে। সবাই এই সময়ের মধ্যে ঈদের নাটক বানাতে চাইবে, দিনে রাত ২৪ঘন্টা শুটিং চলবে। যারা চাকরি করে তারা হয়ত একটা দূরত্ব বজায় রেখে অফিসের কাজ করতে পারে। কিন্তু দূরত্ব বজায় রেখে শুটিং করা সম্ভব না। আবার শুটিংয়ে একেক দিন একেক শিল্পী কলাকৌশলীদের সঙ্গে কাজ করতে হবে, ফলে কে কতটা নিরাপদ যানা সম্ভব হবে না। কোয়ার্টিস্টের সঙ্গে সংলাপ বিনিময় করতে হবে, মেকাপম্যানের হাতে মেকাপ নিতে হবে, প্রডাক্সন, লাইটের লোকসহ অনেকে সেটে থাকবে। ফলে এখানে অনেক শতর্কতা অবলম্বনের বিষয় আছে। তাই হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত আমার কাছে আত্মঘাতী মনে হচ্ছে। শুনেছি লকডাউনে কারো কারো শুটিং করা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে, পরে তারা দুঃখ প্রকাশ করেছেন। দুঃখ প্রকাশের পরেও এই সময়ে বিষয়গুলো নিয়ে এত আলোচনা-সমালোচনা না করলেই ভালো ছিল। দেশের সবাই ভালো থাকুক নিরাপদে থাকুক এই প্রত্যাশা করছি।