• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬, ৩০ রজব সানি ১৪৪১

সৈয়দপুর শহরের রাস্তা ডোবা আবর্জনার ভাগাড়!

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

| ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯

image

সৈয়দপুর (নীলফামারী): হাতিখানা রোডে ফেলা আবর্জনা উপচে ছড়িয়ে পড়েছে রাস্তায় -সংবাদ

সৈয়দপুর শহরের হাতিখানা রোডের ফল মার্কেটের পাশের ডোবাটি এখন ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ডোবার ময়লা পানি রাস্তায় উপচে পড়ছে। ফলে ওই ডোবার ময়লা আবর্জনা ও পঁচা ফলমূলের পুঁতি গন্ধময় পরিবেশে নাক বন্ধ করে চলাচল করতে হচ্ছে মানুষজনকে। বর্তমানে ওই রাস্তা দিয়ে মানুষজনের চলাচল অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিনেও ওই ডোবাটি পরিষ্কার না করায় এ দূরাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওই এলাকার দুই কাউন্সিলরের নজরে আনলেও কোন ফল মিলছে না। ফলে ডোবাটি পরিষ্কার করে মানুষজনের চলাচলের সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পৌর মেয়র মো. আমজাদ হোসেন সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী জানান, হাতিখানা সড়কের উভয়পাশে গড়ে ওঠা ফল মার্কেটে ১৪-১৫টি পাইকারি ফলের আড়ত রয়েছে। আর এসব আড়তের পঁচা ফলমূল ওই ডোবাতেই ফেলছে ব্যবসায়ীরা। এছাড়া শহরের বিভিন্ন হোটেল ও আশপাশের বাড়িঘরের ময়লা আবর্জনা জমা হচ্ছে ওই ডোবায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে ডোবাটিতে ময়লা আবর্জনা জমে ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ফল মার্কেটের পঁচা ফলমূল ও অন্যান্য ময়লা আবর্জনা ফেলার কারণে ডোবার গন্ধ প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডোবার ময়লা পানি সড়কে উপচে পড়ছে। ফলে মানুষজনকে ময়লা পানি মাড়িয়ে নাক মুখ বন্ধ করে চলাচল করতে হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন হাবলু (৪৫) সুলতানা রহমান, (৩৫), বাবুসহ (৩৬) অনেকেই জানান, দীর্ঘদিনেও পরিষ্কার না হওয়ায় ডোবার ময়লা আবর্জনার গন্ধে মানুষজন অতিষ্ঠ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ দেয়া হলেও কোন ফল মেলেনি। একই এলাকার সুধিজন মো. রেজাউল ইসলাম (৪৯) অভিযোগ করে বলেন, ফল ব্যবসায়ীরা তাদের পঁচা ফলমূলসহ আশে পাশের বাড়িঘরের ময়লা আবর্জনা ওই ডোমার ফেললেও তারা দুর্গন্ধ নিরসনে কোন মেডিসিন প্রয়োগ না করায় অবস্থার দিন দিন অবনতি হয়েছে। তিনি অবিলম্বে ওই ডোবার দুর্গন্ধ দূর করতে পৌর কর্তৃপক্ষের মেডিসিন প্রয়োগ করার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে সৈয়দপুর ফল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়া ডোবাটি দ্রুত পরিষ্কারে পৌর মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। ওই ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলরকে বিষয়টি জানানো হলেও কোন পদক্ষেপই নেয়া হয়নি আজ পর্যন্ত। জানতে চাইলে, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আসগর আলী জানান সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।