• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ২ মাঘ ১৪২৭, ২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইউপি উপনির্বাচন

সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় প্রতিদ্বন্দ্বীরা

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

| ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯

নানা কারণে আলোচিত হয়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের সুলতানপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদের উপনির্বাচন। ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত এ নির্বাচন সুষ্টু না হওয়ার আশঙ্কা করছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আর ভোটাররা। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ ওমর ফারুকের পিতা ফিরোজুর রহমান ওলিও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এবং একই সাথে প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক।

সে কারণে প্রশাসন ব্যবহার করে এবং টাকা ছড়িয়ে তিনি ছেলের জয় ছিনিয়ে নেবেন বলে ব্যাপক আলোচনা রয়েছে। এরই মধ্যে ওলিও ভোটের মাঠে ছেলের প্রচারণায় জয় নিশ্চিত বলে বক্তব্য দেয়ার পাশাপাশি ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় গিয়ে উপজেলা পরিষদ থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে ওলিও বলেছেন তার ছেলের পক্ষে জোয়ার দেখেই তিনি জয়ের বিষয়ে নিশ্চিত। নির্বাচনে ৪ প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ৩ জনকে সামনে রেখেই চলছে হিসেব-নিকেশ। তারা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের শেখ ওমর ফারুক (নৌকা), স্বতন্ত্র শেখ মো. মহসীন (আনারস) ও মো. সোহরাব খান (ঘোড়া)। সোহরাব খানের ছেলে মো. সাকিরুল আলম খান (চশমা) আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে পিতা-পুত্রের লড়াইয়ে পিতাকেই মূল প্রার্থী হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য সব প্রার্থীদের অভিযোগের আঙ্গুল উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান ওলিওর দিকে। স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব খান বলেন, ফিরোজুর রহমান ওলিও মনোনয়ন দাখিলের পর থেকে মাঠে নেমে ছেলের নির্বাচন করছেন। তিনি উপজেলার সবার অভিভাবক। সে জায়গায় তিনি একজনের নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত।

তবে এসব বিষয় দেখার দায়িত্বে থাকা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, আমার চোখে এমন কিছু পড়েনি। আমার কাছে মনে হচ্ছে পরিবেশ ঠিক আছে। যারা প্রার্থী তারা এমনিতেই উদ্বিগ্ন। ভোট গ্রহণ সুষ্ঠু করার পদক্ষেপ হিসেবে ৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান রিটার্নিং অফিসার ও সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জান্নাত জাহান। ২ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাবের ২০ জনের ২টি দল এবং পুলিশের মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে বলে জানান তিনি। প্রতিকেন্দ্রে পুলিশ থাকবে ৭ জন করে।