• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০১৯, ৬ মাঘ ১৪২৫, ১২ জমাউল আওয়াল ১৪৪০

সিরাজদিখানে সেতু আছে রাস্তা নেই

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ)

| ঢাকা , শনিবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৯

image

সিরাজদিখানে ইছাপুরা চন্দনধূল গ্রামে সংযোগ সড়কবিহীন সেতু -সংবাদ

মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখানের চন্দনধূল মৃধাবাড়ির খালের ওপড় সেতু নির্মাণ করা হলেও দু’পাশে কোন সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। ফলে সড়কবিহীন সেতুটি এখন অকেজো হয়ে পড়ে আছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিরুদ্ধে সরকারি টাকা অপচয়ের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারীরা রয়েছে ভোগান্তিতে।

জানা যায়, উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের চন্দনধূল গ্রামে মৃধাবাড়ির পশ্চিম পাশে এবং হোতার চকের পূর্বদিকের খালের ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য সেতু নির্মাণ হয়। চন্দধূল গ্রামের স্বপন মৃধার বাড়ির পাশের পাকা রাস্তা হতে মামুন বেপারীর বাড়ি যাওয়ার পথে রাস্তার পাশেই চোখে পড়বে এই সংযোগ সড়কটির গাইড অংশবিহীন সেতুটি। সেতুর মূল অংশের কাজ শেষ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন পরিকল্পনা নেই দুই পাশের সংযোগ গাইড অংশের কাজ শেষ করার। সেতুর এই রাস্তা দিয়ে চন্দনধূল, কুসুমপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষ চলাচল করে প্রতিনিয়ত।

বর্ষার সময় এখানকার মানুষের একমাত্র উপায় নৌকা। বছরের পর বছর এই গ্রামের মানুষদের অপেক্ষা করতে হয়েছে এই একটি সেতুর জন্য। প্রায় দুই বছর আগে দীর্ঘদিনের এই আশা পূরণে এই স্থানে একটি সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কিন্তু সেতুর মূল অংশের কাজ শেষ হওয়ার পর অজানা কারণে প্রায় দুই বছরেও এই সেতুর দুই পাশের সংযোগ গাইড অংশের কাজ শেষ করা হচ্ছে না। এই সংযোগ অংশের কাজ শেষ না হওয়ার কারণে কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই সেতুরটি ব্যবহার করতে পারছেন না। এতে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষের। এদিকে কৃৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে অনেক পথপাড়ি দিয়ে তবেই কুসুমপুর, ইছাপুরা, সিরাজদিখান বাজারে যেতে হয়। অথচ এই সেতুটি ব্যবহারের উপযোগী হলে খুব সহজেই তারা তাদের সকল কাজকর্ম সময়ের মধ্যেই শেষ করতে পারতেন।

উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের চন্দনধূল গ্রামের স্বপন মৃধা, রমজান মৃধা, মকবুল হাসান, রনি সরদারসহ আরও অনেকেই জানান, আমরা এই কয়েকটি গ্রামের মানুষ খুবই অবহেলিত। আমাদের গ্রামে নেই উন্নতমানের যোগাযোগ ব্যবস্থা। আমরা অনেক কষ্টে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করে এই স্থানে একটি সেতুর অনুমোদন নিয়ে এসেছি। কিন্তু প্রায় দুই বছর পার হলেও সেতুর মূল অংশের কাজ শেষ হলেও দুইপাশের সংযোগ গাইড লাইনের কাজ এখনও পর্যন্ত শেষ না হওয়ায় আমরা এই সেতুর ব্যবহার করতে পারছি না। এতে আমাদের যে চরম দুর্ভোগের মধ্যে চলাচল করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) সোয়াইব বিন আজাদ জানান, চন্দনধূল গ্রামে এটা আমাদের এলজিইডি ব্রিজ না।