• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ ১৪৪০

শেষ মুহূর্তে শুধু কেনাকাটা

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবেশক, সিরাজগঞ্জ

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন ২০১৮

image

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) : দোকানে বিকিকিনিতে ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতা -সংবাদ

সিরাজগঞ্জে ঈদ মার্কেট জমে উঠেছে। মেয়েদেরও জমকালো দেশি-বিদেশি থ্রিপিচসহ শিশুদের। পোশাকের দাস হাতের নাগালের মধ্যে থাকায় বিপুল বেচাকেনায় ব্যবসায়ীরাও দারুণ খুশি। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদেরও উপচেপড়া ভিড় পরিলক্ষিত হচ্ছে। দিন দিন এ ভিড় আরও বাড়ছে। সিরাজগঞ্জে এ বছর মার্কেট বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতার সংখ্যাও বাড়ছে। দেশের পাশাপাশি ভারত, চীন ও পাকিস্তানের পোশাক আমদানি করা হয়েছে। শহরের অভিজাত মার্কেটে ক্রেতাদেরও উপচেপড়া ভিড়। এছাড়া কসমেটিক, জুতা ও রেডিমেট গহনার দোকানে ক্রেতাদের ভিড় দিন দিন বাড়ছে। রোজার শেষে ফুটপাতের ভাসমান মার্কেটগুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা নিজেদের পছন্দের পোশাক কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন। এদিকে ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছে টেইলরের দোকানগুলো। জানা গেছে এরই মধ্যেই টেইলর দোকানগুলো অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

শিবচর (মাদারীপুর)

ঈদের শেষ সপ্তাহে মাদারীপুরের শিবচরের ঈদের বাজারগুলো জমে উঠেছে। হরেক রকম পোশাকের বাহারি ড্রেসগুলোতে ভরে থাকা বাজারগুলোতে এখন উপচেপড়া ভিড়। ভিড় রয়েছে লুঙ্গি স্যান্ডেল জুতার দোকানেও। এর মাঝেই ব্যবসার পাশাপাশি যাদের সামর্থ্য নেই সেই সব শিশুদের হাতে বিনামূল্যে পোশাকসহ নানা সামগ্রী তুলে দিয়ে তানজিল নামের এক ব্যবসায়ী অনন্য দৃষ্টান্তর সূচনা করেছেন।

সরেজমিন একাধিক সূত্রে জানা যায়, রমজানের শুরু থেকেই বৃষ্টি মাথায় নিয়েই শিবচরের মার্কেটগুলোতে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। শেষ সপ্তাহে এসে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে এখন উপচেপড়া ভিড়। শিবচর পৌরবাজার, ইলিয়াস আহম্মেদ চৌধুরী পৌর সুপার মার্কেট, পাঁচ্চর বাজার, চান্দেরচর বাজারসহ বাজারগুলোতে এখন ক্রেতা আর ক্রেতা। এর মধ্যে নারী ও শিশুদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। শুধু শাড়ি বা ড্রেস কিনেই নয় এর সঙ্গে মিলিয়ে ব্যাগ, কসমেটিক্সও কিনতে ভিড়ের কমতি নেই। এ বছর ঈদের বাজারগুলোতে দামের ঝাঁঝ থাকলেও ক্রেতার কমতি নেই। বিশেষ করে ভারতীয় বিভিন্ন সিরিয়ালের নামকরণের ড্রেসের প্রতি নারীরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। রং-বেরঙের এই পোশাকের ব্যবসার মাঝেই পৌর বাজারের ইলিয়াস তালুকদার মার্কেটের তানজিল আহমেদ খান নামক এক ব্যবসায়ী ব্যবসার পাশাপাশি যাদের কেনার সামর্থ্য নেই সেই শিশুদের হাতে বিনামূল্যে জামা কাপড়, জুতা-স্যান্ডেলসহ বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দিচ্ছেন। প্রতিদিন কেনাবেচার সঙ্গে সঙ্গে তানজিলের কিডস ক্লাব নাম প্রতিষ্ঠান থেকে বিনামূল্যে দরিদ্র শিশুদের মাঝে তিনি বিনামূল্যে পোশাক দিচ্ছেন। মার্কেটগুলোতে দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মাঝে।

ক্রেতা শারমিন সুলতানা বলেন, ঈদের কেনাকাটা করতে করতে ইলিয়াস তালুকদার মার্কেটে এসে এখানকার এক ব্যবসায়ীর দুস্থ শিশুদের জন্য বিনামূল্যে ঈদের পোশাক বিতরণ সাইনবোর্ড দেখে হবাক হয়েছি। কিছু সময় দাঁড়িয়ে থেকে ব্যবসায়ী তানজিল ভাইকে বেশ কয়েকজন শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে যার যার পছন্দসই ঈদের পোশাক বিতরণ করতে দেখলাম। এটা ভালো উদ্যোগ।

ব্যবসায়ী আনন্দ বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অনেক ভালো বিক্রি হচ্ছে, দামও ক্রেতার হাতের নাগালে। ক্রেতা আবির হোসেন বলেন, এ বছর শিশুদের পোশাক ও ভারতীয় পোশাকের দাম অনেক বেশি মনে হচ্ছে।

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)

রমজানের শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ঈদ বাজার গুলো। ক্রেতা সমাগমে মুখরিত হয়েছে উঠেছে বিভিন্ন মার্কেট ও কাপড়ের দোকান গুলো। মার্কেটগুলোতে নারীদের জন্য যেমন বাহারি ডিজাইনের শাড়ি, থ্রিপিচ, লেহেঙ্গা ও ফোরকের সমরোহ ঘটেছে তেমনি পুরুষদের জন্যও আকর্ষণীয় টি-কার্ট, প্যান্ট ও পাঞ্জাবি তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন মার্কেটগুলোতে পরিদর্শনকালে দেখা যায়, পুরুষ ক্রেতার চেয়ে নারী ক্রেতার ভিড় বেশি। এদিকে বাঁশখালীতে বর্তমানে প্রচুর পরিমাণ মার্কেট গড়ে উঠায় আগের মতো শহরমুখী হচ্ছে না ক্রেতা সাধারণ।

ক্রেতাদের পছন্দের সব কাপড় চোপড় ও বিভিন্ন প্রসাধনীসামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে এই উপজেলার মার্কেট গুলোতে। তাই আগের মতো ঈদবাজারের কেনাকাটা করতে শহরে যেতে হচ্ছে না বাঁশখালীবাসীদের। তবে গত কয়দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ক্রেতা সাধারণ উপজেলা সদরে আসতে না পারায় অনেকটা হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েছে এখানকার ব্যবসায়ীরা। তাছাড়াও বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় বেচাবিক্রিতে প্রচুর পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অধিকাংশ ব্যবসায়ী। উপজেলা সদরের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, রমজানের শুরুর দিকে হালকা হলেও বর্তমানে শেষ মুহূর্তে আগের চেয়ে অনেকাংশে বেড়েছে বেচাকেনা। তবে আমাদের জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে টানা বৃষ্টি ও বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিং। বৃষ্টির ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাটা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ক্রেতা সাধারণ আসতে পারছেন উপজেলা সদরে। অপরদিকে বিদ্যুতের অতিমাত্রার লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবসায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।