• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৬, ২১ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

রাজশাহীতে নিয়ন্ত্রণহীন সিলিন্ডার গ্যাস

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবেশক, রাজশাহী

| ঢাকা , শনিবার, ০৯ নভেম্বর ২০১৯

image

রাজশাহীতে সিলিন্ডার গ্যাসের ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহার বাড়ছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিলাশবহুল রেস্তরাঁয় ব্যবহার হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস। তবে কোন নিয়ম নীতি মানছে না কেউ। অনেকেই আবার চুলার ঠিক পাশেই রাখছে মজুদকৃত গ্যাস। যত্রতত্র সিলিন্ডার রাখায় বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটছে। বাড়ছে দুর্ঘটনা ঝুঁকি। তবে শুধুমাত্র চিঠি আদান প্রদানেই সীমাবদ্ধ রয়েছে বিস্ফোরক অধিদফতর ও ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ।

রাজশাহী নগরীতে পান, মুদির দোকান থেকে শুরু করে অনেক দোকানেই পাওয়া যায় এই গ্যাসের সিলিন্ডার। নির্দিষ্ট কোন গোডাউনে না রেখে সারিবদ্ধভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় খোলাস্থানে রাখা হয়েছে এসব গ্যাস সিলিন্ডার। সেখানেই চলছে বিক্রি। বর্তমানে এ গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসা নগরীর অলি গলিতেও পৌঁছে গেছে। আবাসিক এলাকাতেও যত্রতত্র গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ রাখা হচ্ছে। ফলে যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নগরীর আলুপট্টি, জিরোপয়েন্ট, কাঁচাবাজার, রেলগেট, বর্ণালী, সাধুরমোড়, মুন্নাফের মোড়, তালাইমারীসহ বিভিন্ন এলাকায় যত্রতত্রভাবে এলপিজি গ্যাস চুলার পাশেই রেখে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে নেই কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অধিকাংশ চায়ের দোকানেই এখন ব্যবহার হচ্ছে গ্যাস। খরচ কম ও ঝামেলাহীন হওয়ায় রেস্তরাঁ থেকে রাস্তার পাশের যে কোন দোকানেই চলছে গ্যাস ব্যবহার। তবে অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে যে কোন মূহূর্তে আগুনের তাপেই পুড়ে যেতে পারে গ্যাসের সংযোগ পাইপ। রাজশাহী নগরীর কুমারপাড়া মোড়ে সিলিন্ডার দিয়ে চায়ের ব্যবসা করেন বাদশা। তিনি বলেন, গত দুই বছর হলো সিলিন্ডার কিনে এ চুলার ব্যবহার করছি। তবে কোন লাইসেন্স লাগে এমনটি তিনি জানেন না। একই অবস্থা নিউ খাবার ঘরের। সেখানকার মালিক তুহিন জানান, আমরা জানি না এটির ব্যবহারে বা মজুদে কোন ছাড়পত্র লাগে। তাছাড়া আমাদের তো কেউ ছাড়পত্র ছাড়া ব্যবহারে নিষেধও করেনি। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রাজশাহী সদর দফতরের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশীদ বলেন, এলপি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার মজুদ রাখাসহ যত্রতত্র ব্যবহার বন্ধের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়েছি। এ বিষয়ে রাজশাহী বিস্ফোরক অধিদফতরের পরিচালক আসাদুল ইসলামকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি ধরেননি। রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, সবখানে সিলিন্ডার ব্যবহারের বিষয়ে আমরা বিস্ফোরক অধিদফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করব। পাশাপাশি এ বিষয়ে অতিদ্রুত অভিযান চালানো হবে।