• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মহররম ১৪৪১

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্যর্থ হচ্ছে তালবীজ রোপণের কর্মসূচি

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, বালিয়াকান্দি (রাজবাড়ী)

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯

বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে সড়কের পাশে প্রতিবছরই তাল, সুপারি, নিম, খেজুর বীজ রোপণ কর্মসূচি সরকার ও বেসরকারিভাবে উদ্যোগ নিলেও রক্ষণাবেক্ষণের কোন উদ্যোগ না থাকায় অঙ্কুরেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। ইট ভাটার জ্বালানি, অপরিকল্পিত কর্তন ও সঠিক পরিচর্যার অভাবে বিলুপ্ত হচ্ছে তালগাছ। জানা গেছে, পাকা তালের বীজ থেকে তাল গাছ জন্মে। তাল গাছ দুই ধরনের। একটিতে তাল ধরে অন্যটিতে জট হয়। তালগাছের ডগা থেকে শীতল হাতপাখা, উন্নতমানের রশি, মাছ শিকারের জন্য চাই, বানাসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার যন্ত্র তৈরি করা হয়। তালগাছ থেকে রস আহরণ করে কাচা রস গ্রহণ করা হয়। রস থেকে গুড়, পাটালি তৈরি করা হয়। তালের রস ও গুড় দিয়ে তৈরি করা হয় সুস্বাধু পিঠা ও পায়েস। পাকা তাল থেকে বাঙালির ঘরে ঘরে তৈরি হয় তালের পিঠা। চরফরিদপুর গ্রামের মোতালেব গাছী বলেন, প্রতিটি গাছে নূন্যতম ৫ শতাধিক তাল ধরে। এ বছর সে তাল গাছ থেকে রস আহরণ করে প্রতিদিন ১ হাজার ৫শত থেকে ১ হাজার ৮শত টাকা বিক্রি করেছেন। কৃষক ঝড়ু শেখ বলেন, চৈত্র-বৈশাখ মাসে প্রচন্ড খড়তাপে মাঠে থাকা তালগাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতো কৃষক। ক্লান্তি দূর করতে গাছের রস খেয়ে। এখন আর মাঠে সে ভাবে তাল গাছ নেই। তালের শাসও বেশ সুস্বাদু। তালের পাকা কাঠ দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে তাল গাছের সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাওয়ার কারণে তার ব্যবহারও কমছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব খান বলেন, বজ্রপাত প্রতিরোধে প্রতিবছরই সড়কের পাশে তালবীজ, সুপারি, নিম, খেজুর বীজ ও চারা রোপণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়ে থাকে। তবে এটি রক্ষণাবেক্ষণ স্থানীয় লোকজন করেন।