• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

মোরেলগঞ্জে নিষেধাজ্ঞা না মেনে মহাসড়কের দু’পাশে পশুর হাট

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, মোরেলগঞ্জ (বাগেহাট)

| ঢাকা , রোববার, ১১ আগস্ট ২০১৯

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাশেই বসেছে পশুরহাট। শেষ মুহূতে জমে উঠেছে দেশীয় গরু বেশি থাকলেও ক্রেতা রয়েছে কম। দামও পাচ্ছেন বেপারিরা কম। সরেজমিনে শুক্রবার বিকেলে পৌরশহরের ছোলমবাড়িয়া বালুরমাঠে গিয়ে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত পরিমাণে দেশীয় গরুর হাট বসেছে। পাশাপাশি রয়েছে ছাগল। গতবছরের চেয়ে এবারে দেশীয় গরু বাজারে বেশি উঠলেও ব্যাপারিরা বলেছেন বাজার দর রয়েছে কম। এদিকে বৃহস্পতিবার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি বাজারে মোরেলগঞ্জ সাইন বোর্ড আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাড়েই জমজমাট পশুরহাট।

বাগেরহাট জেলা ও পাশ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার দূর দূরান্ত থেকে গরু বিক্রয় করার জন্য নিয়ে আসা বেপারিরা অনেকেই দুশ্চিন্তায় রয়েছে। দেশীয় ভাল জাতের গরু বাজারে তুললেও দাম পাচ্ছেন কম। কথা হয় গরু বেপারি সন্ন্যাসী গ্রামের আবুল হোসেন হাওলাদার, দৈবজ্ঞহাটির মোশারেফ বেপারি, জাহাঙ্গীর মল্লিক ও বাধাল থেকে আশা মনিরুজ্জামান শেখ বলেন, গতবছরে যে গরুটি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত। এবারে সে গরুর দাম ক্রেতারা বলছেন ৭০ থেকে ৯০ হাজার টাকা। প্রতিটি গরুর দাম ২০ থেকে ৪০ হাজার টাকা কম। অথচ দেশীয় ভাল জাতের পাকিস্তানি বিজ জাতের গবাদি পশু এবারে বাজারে উঠেছে বেশি। এদিকে ক্রেতা বলইবুনিয়া ইউনিয়নের বাস বাড়িয়া গ্রামের আলম শেখ ও বারইখালী পৌর বাসিন্দা মো. মহিউদ্দিন শিকারী বলেন, গতবছরের চেয়ে এবারে গরুর দাম তেমন পার্থক্য নয়, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে কম। তবে এবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে গরু বাজারে ওঠার কারণেই যাচাই বাছাই করে ক্রয় করতে পারছেন ক্রেতারা। কথা হয় বালুর হাটে হাট ইজারা নেয়া ইদ্রিস শিকদারের সঙ্গে তিনি জানান, বেপারিদের উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর এ হাটে বেশি করে গরু উঠাবে এ জন্যই খাজনা নেয়া হচ্ছে কম। এ বিষয়ে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেদোয়ানুল করিম, জানান, পৌর মেয়র অ্যাড. মনিরুল হক তালুকদারের উদ্যোগে এ বালুর মাঠে ৪ বছর ধরে এ পশুর হাট বসেছে। এ হাটকে জমানোর জন্যই দূর থেকে আশা বেপারিদের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা দেয়া হয়। মেয়রের নির্দেশে খাজনাও নেয়া হয় কম। বহিরাগতরা কোন প্রকার বেপারীদের ওপর প্রভাব খাটাতে পারে না। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বলেন, আঞ্চলিক মহাসড়কের দু’পাড়ে ও ছোট-বড় বাজারের সড়কের রাস্তার পাশে ওপর কোন প্রকারেই পশুরহাট বসানো যাবেনা। ইতোমধ্যে এ যেসব ইউনিয়নগুলোর সড়ক-মহাসড়কের পাশে পশুর হাট বসে আসছে সেগুলো বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তার পরেও হাট বসানো হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।