• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯ মহররম ১৪৪২, ১০ আশ্বিন ১৪২৭

মুক্তাগাছা-শ্রীবরদীতে বোরো ধান কাটল ওয়ার্কার্স পার্টি ও পুলিশ

| ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২০

প্রতিনিধি, মুক্তাগাছা (ময়মনসিংহ)

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় কৃষকের জমিতে পেকে থাকা বোরো ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে উঠিয়ে দিচ্ছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাকর্মীরা। এর অংশ হিসেবে গত শুক্রবার বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মুক্তাগাছা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রবি’র নেতৃত্বে উপজেলার দুল্লা ইউনিয়নের নালিখালী গ্রামে প্রতিবন্ধি কৃষক আব্দুস সাত্তারের জমিতে পেকে থাকা ধান কাটা ও মাড়াই কর্মসূচিত অনুষ্ঠিত হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সাইফুল ইসলাম ভুট্টু, আনোয়ার হোসেন, ফরমান আলী, রাসেল সাংমা, রতন গোমেজ, হেলাল উদ্দিন, নওশাদ, মানিক মিয়াসহ ওয়ার্কার্স পার্টি, কৃষক সীমিতি ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠন।

প্রতিনিধি, শ্রীবরদী (শেরপুর)

করোনাভাইরাসে বিস্তার রোধে দেশের বিভিন্ন এলাকার ন্যায় শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এতে করে শ্রমিক সঙ্কট পড়েছে কৃষকরা। অপরদিকে বোর ধান পেকে গেছে। কিন্তু শ্রমিক না পাওয়ায় পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছে না কৃষকরা। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শনিবার দুপুরে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম, পিপিএম’র উপস্থিতিতে শ্রীবরদীতে অসহায় বর্গাচাষী মোজাম্মেল হকের ধান কেটে মাড়াই করে দিয়েছে পুলিশ।

‘আমরা আছি কৃষকের পাশে, মানবিক পুলিশের চোখে জনতার আকাঙ্খা লেখা থাকে’- এ স্লোগানকে ধারন করে শ্রীবরদী থানা পুলিশ, কমিউনিটি পুলিশং ফোরাম ও সামাজিক সংগঠন লোকাল বয়েজের সহযোগিতায় উপজেলার উত্তর ষাইটকাকড়া গ্রামের ওই অসহায় বর্গাচাষীর ২৫ শতাংশ জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেয়া হয়। বর্গচাষী অসহায় কৃষক মোফাজ্জল হক বলেন, আমি গরিব মানুষ। শ্রমিক ও টাকার সঙ্কটে ধান কাটতে পারছিলাম না। শ্রীবরদী থানা পুলিশ খবর পেয়ে আমার ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) বিল্লাল হোসেন, ওই বর্গাচাষী আমাদের পুলিশকে অবগত করেছিল যে, শ্রমিক ও টাকার সঙ্কটে সে ধান কেটে ঘরে তুলতে পারছে না। পরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে তার ক্ষেতের ধান কেটে ঘরে তুলে দেয়া হয়েছে।