• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০, ২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ২১ জিলকদ ১৪৪১

বাড়তি যত্নআত্তি ছাড়াই কাঁঠালের বাম্পার ফলন

সংবাদ :
  • কামরুল ইসলাম, দেলদুয়ার (টাঙ্গাইল)

| ঢাকা , সোমবার, ১৩ মে ২০১৯

image

দেলদুয়ার (টাঙ্গাইল) : কদম ফুল নয়, গাছজুড়ে শুধু কাঁঠাল -সংবাদ

দেলদুয়ার ও তার আশপাশের এলাকার কাঁঠাল গাছগুলো এখন বড় বড় কাঁঠালে ছেয়ে গেছে। আগাম জাতের কাঁঠালগুলো সপ্তাহ খানেকের মধ্যে পাকতে শুরু করবে। পাকা কাঁঠালের মিষ্টি গন্ধে কীট-পতঙ্গরা ভিড় করবে গাছে গাছে। এলাকার লোকজন তাদের নিজ নিজ গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। জাতীয় ফল কাঠালের মৌসুম আসতেই ঘরে ঘরে ধুম পড়ে যায় কাঠালের মিষ্টি রসে চিড়া, মুড়ি খাওয়ার। তরকারিতে কাঁঠালের বিচির সবজি বা ভর্তাও জনপ্রিয়। দেলদুয়ারে বিভিন্ন বাড়ির আঙিনায়, রাস্তার দু’ধারে, স্কুল, কলেজের চত্বরে প্রচুর কাঁঠাল গাছের দেখা মেলে। আর এসব গাছে ঝুলে থাকা লোভনীয় কাঁঠালগুলো সকলেরই নজর কাড়ে। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটি কাঁঠাল গাছে ১০০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত ফল ধরেছে। কাঁঠালের চারা আপনা থেকেই বেড়ে ওঠে। চারা লাগানোর পর সাধারণত কাঁঠাল গাছের কোন যতœ নেয়ার দরকার হয় না। কেবল গরু-ছাগলের আক্রমণ ও ঝড়ে যাতে ভেঙ্গে না পড়ে সে জন্য বড়জোর একটা খুঁটি ও খাচা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অন্যান্য ফল ও গাছ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে যত তৎপরতা লক্ষ্য করা যায় কাঁঠাল নিয়ে তার সিকিভাগও হয় না। কাঁঠালের ভরা মৌসুম ২ থেকে তিনমাস স্থায়ী হয়। কোন কোন পরিবার এ সময়ে কাঁঠাল বিক্রি করে সারাবছরের সংসারের খরচ মেটায়। এ সময় পাইকারি ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের বাড়তি আয়ের সুযোগ হয়। এদিকে অভাবের কারণে এলাকার অনেকে কাঁঠাল গাছ বিক্রি করে দিচ্ছে। আসবাবপত্র ব্যবসায়ীরা এসবগাছ নামমাত্র মূল্যে কিনে ফায়দা লুটছে।

এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাঁঠালের বাম্পার ফলনের আশা করছেন অনেকে। তবে ফলন বেশি হলে দাম পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এলাকায় কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত করণের কোন ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকরা প্রতিবছর ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অবিলম্বে ওই এলাকায় সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে একটি কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাত কারখানা গড়ে তোলা হলে এ উপজেলার মানুষ অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।