• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ ১৪৪০

বাল্যবিয়ের তথ্য দিয়ে ইউএনওর গালমন্দ খেলেন তথ্যদাতা!

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, কেশবপুর (যশোর)

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন ২০১৮

কেশবপুরে ইউএনও‘র দায়িত্বহীনতার কারণে ঋষি পল্লীর ৭ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর বাল্য বিয়ে সংঘটিত হয়েছে। ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ইউএনওকে জানানো হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওই সংবাদদাতাকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এরই প্রতিবাদে ১০ জুন বাংলাদেশ দলিত পরিষদ, কেশবপুর শাখার নেতৃবৃন্দ ইউএনওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ তার অপসারণ দাবি করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে দলিত নেতৃবৃন্দের দাবি।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের জাহানপুর ঋষিপল্লীর চন্দনা দাস সাতবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর নিয়মিত ছাত্রী। প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার সার্টিফিকেট অনুযায়ী তার বয়স ১৪ বছর ১১ মাস ৬ দিন। গত ১৫ মে রাতে চন্দনা দাসের মতামতকে উপেক্ষা করে পরিবারের সদস্যরা তার বিয়ের আয়োজন করে। মেয়েটিকে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষার জন্যে রাত ১০টার দিকে একই গ্রামের সম্মান ১ম বর্ষের ছাত্র অনন্ত দাস মোবাইল ফোনের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রকে একাধিক বার অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতার কারণে মেয়েটির বাল্যবিয়ে সংঘটিত হয়।

লিপি দেয়া হয়েছে, জাতীয় সংসদের স্পিকার, জাতীয মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানসহ প্রশাসনের একাধিক দপ্তরে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর দলিত পরিষদের সভাপতি সুজন দাস জানান, তাৎক্ষণিক বিষয়টি স্থানীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে জানানো হলেও তারা বিচারের নামে সময় ক্ষেপণ করায় অবশেষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানূর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কাউকে গালমন্দ করা হয়নি। তারা মিথ্যা বলছে।