• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ সফর ১৪৪১

ফরিদপুরের বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা ধৃত

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, ফরিদপুর

| ঢাকা , সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

চাঁদাবাজি ও ঘুষ লেনদেনের ১০টি মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সত্যজিৎ মুখার্জিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সবকটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর নাখালপাড়ার একটি বাসা থেকে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

ফরিদপুর জেলা ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দে বলেন, ‘সত্যজিৎ মুখার্জি চাঁদাবাজি ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে করা ১০টি মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি। তিনি কোনো মামলাতেই আদালতে উপস্থিত হননি। পলাতক ছিলেন। তাই আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দিয়েছে।’

এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় উচ্চ আদালত সত্যজিৎ মুখার্জির জামিন বাতিল করেন। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

২০১৫ সালের দিকে সত্যজিৎ মুখার্জির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম ও চাঁদাবাজির বিস্তর অভিযোগ আলোচনায় আসে।

পত্র-পত্রিকায় তার অঢেল সম্পদের বিবরণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্যসহ সংবাদ প্রকাশিত হয়।

পরে দুদক তার অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত দুই কোটি ২০ লাখ ৬২ হাজার ৭২৬ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পায় দুদক।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ২৯ জুন দুদকের উপ-পরিচালককে এম মিছবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে রমনা থানায় দুদক আইনের ২৭ (১) ধারায় মামলা করেন।

সত্যজিতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ঘুষ লেনদেন থেকে শুরু করে নানা অভিযোগে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় প্রথম মামলা হয়। পরে বিভিন্ন সময় একই অভিযোগে আরও ১৮টি মামলা হয়। ঢাকার পল্টন থানায়ও সত্যজিতের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা আছে।

এসব মামলায় ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি জামিনে ছাড়া পান। প্রসঙ্গত, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর ২০১৫ সালের ১৬ এপ্রিল ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগ জরুরি সভা করে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাধারণ সদস্যপদ থেকে সত্যজিৎ মুখার্জিকে বহিষ্কার করে।