• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮, ১১ ফাল্গুন ১৪২৪, ৬ জমাদিউস সানি ১৪৩৯

পার্বতীপুরে মাদ্রাসা সুপারের অপসারণ দাবিতে সভা

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, পার্বতীপুর (দিনাজপুর)

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

পার্বতীপুরে চন্ডিপুর ইউনিয়নে উত্তর সালন্দার কাচারী দাখিল মাদরাসার সুপারের অপসারণের দাবিতে শনিবার বিকেলে প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে অভিভাবকদের ডাকে প্রতিবাদ সভা বিকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মোহসীন আলীর সভাপতিত্বে মোঃ মজিবর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মকবুল হোসেন, মছিরউদ্দিন, জিয়াউর রহমান, ডা. ম. ফজলুল হক, হাফেজুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ অভিভাবকবৃন্দ বক্তব্য দেন। তারা বলেন, সুপার মমতাজ আলীর অযোগ্যতা, অবহেলা ও সীমাহীন দুর্নীতিতে প্রতিষ্ঠানটির করুণ অবস্থা। তিনি নিয়মিত মাদরাসায় আসেন না। তাকে অনুসরণ করে অন্য ১৩ সহকারী শিক্ষকরা ফাঁকির সুযোগ নিয়েছে। মাস গেলে তারা নিয়মিত বেতন উত্তোলন করেন ঠিকই, তবে পাঠদানে উদাসীন। এমন অবস্থায় মাদাসায় ছাত্রছাত্রী শূন্যের কোঠায়। তিনি স্থানীয় পলিটিক্সে জড়িত হয়ে প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি মোঃ মজিবর রহমানের নামে চাঁদা বাজির মিথ্যা মামলা করে গণরোষে আত্মগোপন করেছেন। এসব কারণে মাদরাসা রক্ষায় তাকে অপসরণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে নতুন সুপার নিয়োগের তারা দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

প্রতিবাদ সভার সূত্রধরে রোববার বেলা ১২টায় মাদরাসায় এসে সুপারের দেখা মিলেনি। এবতেদায়ি থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত ৩০ জনের মতো স্টুডেন্ট মাদরাসায় এসেছে। সুপারের অফিস খোলা। চোখে পড়ে শিক্ষক হাজিরা রেজিস্টার। সেখানে সুপারসহ অনান্য শিক্ষকদের ধারাবাহিক স্বাক্ষর নেই। শিক্ষকরা জানায়, তিনি নিয়মিত আসেন না। আসলে গোটা মাসের স্বাক্ষর একদিনে দেন। এই প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর দীর্ঘ সময় ধরে পকেট কমিটি করে টিকে আছে। অবৈধ পন্থায় দাখিল স্তরের স্বীকৃতির মেয়াদ বৃদ্ধি করে অবৈধ সুবিধা ভোগ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুস ছাত্তার সরকার জানান গত মাসে পরিদর্শনে গিয়ে আমি ৩ দিন অ্যাবসেন করেছি এবং বিশ্বস্ত সূত্রে জানতে পেরেছি সেটা মিশিয়ে সুপার তার ওপর স্বাক্ষর করেছেন। ২/১ দিনের মধ্যেই তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।