• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১১ কার্তিক ১৪২৭, ৯ রবিউল ‍আউয়াল ১৪৪২

দোহারে অবৈধ ভবন আ’লীগ কার্যালয় বন্ধের নির্দেশ

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, দোহার (ঢাকা)

| ঢাকা , শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৯

ঢাকার দোহার উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের কার্যলয় হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসা ভবনটি অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় সেখানে দলের সব কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ঢাকা-১ (দোহার-নবাবগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান। ইতোমধ্যে ওই ভবনে থাকা দলীয় কার্যালয় থেকে আসবাবপত্র স্থানান্তর করা হয়েছে। খুলে ফেলা হয়েছে দলীয় সাইনবোর্ডও।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, দোহারের প্রাণকেন্দ্র জয়পাড়া বাজারের এবি ব্যাংকের চতুর্থ তলা এখন উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন।

জানা যায়, ২০১২ সালে লিজকৃত সম্পত্তির শর্ত ভেঙ্গে উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগের নামে বরাদ্দকৃত সাত শতাংশ ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মান্নান খানের ভাই মোতালেব খানের নামে বরাদ্দকৃত চার শতাংশ এই এগারো শতাংশ জমিতে মোতালেব খান নিজস্ব অর্থায়নে চারতলা বিশিষ্ট একটি ভবনটি তৈরি করেন। ভবনটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলার সামান্য অংশ উপজেলার আওয়ামী লীগের কার্যালয় হিসেবে রেখে পুরো ভবনের ভাড়া ও সুবিধা মোতালেব খান নিজে একাই ভোগ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে মোতালেব খান বলেন, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদন নিয়েই আমি ব্যক্তিগত অর্থায়নে ভবনটি নির্মাণ করেছি। সে সময়ে ইউএনও কে ছিলেন জানতে চাইলে তার নাম খেয়াল নেই বলে জানান তিনি। লিজের সম্পত্তিতে কোন পাকা ভবন নির্মাণ করা যাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমার জানা নেই।

দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র বলেন, লিজকৃত সম্পত্তিতে বহুতল ভবন নির্মাণ করে তারা লিজের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। সেজন্য এ বছরের ৪ এপ্রিল তাদের কারণ দর্শানোর প্রথম নোটিস দেন বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা ও সেই সময়ে দায়িত্বে থাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালমা খাতুন। পরবর্তীতে তারা নোটিসের জবাবও দিয়েছেন। কিন্তু জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১৫ অক্টোবর তাদের পুণরায় আরেকটি নোটিস দেয়া হয়েছে। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আক্তার রিবা বলেন, লিজের শর্ত ভঙ্গ করায় প্রথম দফায় তাদের কারণ দর্শানোর নোটিস দেয়া হয়েছিল। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় দ্বিতীয় দফায় আরেকটি নোটিস দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।