• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ ১৪৪০

দুর্গাপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ পথচারী

লাঠি হাতে চলাফেরা পথচারীর

সংবাদ :
  • মোহন মিয়া, দুর্গাপুর (নেত্রকোনা)

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন ২০১৮

image

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পৌর শহরসহ ৭ ইউনিয়নে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রবে পথচারীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন। প্রায় ৩ বছর আগে পৌরসভার উদ্যোগে কুকুর নিধন অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। এর পর থেকে তা বন্ধ। এর কারন হিসেবে বলা হচ্ছে, অ্যানেসিল ওয়ার্ড ফাউন্ডেশন নামে একটি বিশ্ব সংস্থা বিনা কারনে প্রাণী হত্যা করা যাবে না বলে মত প্রকাশ করায় বেওয়ারিশ কুকুর নিধন অভিযান বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে মানুষের পাশাপাশি কুকুরের জন্মহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর কোন পরিসংখ্যান উপজেলায় না থাকলেও এদের বিচরণ লক্ষ্য করার মত। কুকুরগুলো বাচ্চাসহ দলবদ্ধ হয়ে যত্রতত্র চলাফেরা করে। এমনকি কোন কোন স্থানে একই সঙ্গে বিশ্রাম নেয়। পথচারীরা কিছু নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ধরে ফেলে। অনেক সময় লাঠি নিয়ে পথচারীদের চলাফেরা করতে হয়।

বেওয়ারিশ কুকুরের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আর স্বাভাবিক চলাফেরা করতে সাহস পাচ্ছেন না।স্থানীয় মাছবাজার মাংসের দোকান হোটেল রেস্তোরাঁর সামনে এদের উৎপাত বেশি। কোন কিছু হাতে নিয়ে যেতে দেখেলেই এমনিই কামড় বসিয়ে দেয়। ছোটদের কিছু খেতে দেখলে তাদের ধাওয়া করে। গত ৩ বছরে প্রায় ৪ শত লোক বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছে বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। কুকুরের কামড় অথবা আচড় দিলে জনমনে জলাতঙ্ক হয়ে মৃত্যু অনিবার্য। অপরদিকে কুকুরের কামড়ের ভ্যাক্সিন কিনতে ৩/৪ হাজার টাকার প্রয়োজন হয়। অসহায় লোকদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে থাকায় কুকুরের কামরে মৃত্যুর হার বেড়েছে। অনেক সময় অভিভাবকরাও সোনামনিদের বিদ্যালয়ে পাঠালে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. সানোয়ার হোসেন সংবাদকে বলেন সরকার বেওয়ারিশ কুকুর নিধন অভিযান বন্ধ করে দেওয়ায় কমিওনি ভেলবল ডিজিজ কন্ট্রোল নামক একটি সংস্থা র‌্যাডিশন নামক ইনজেকশন এর মাধ্যমে জলাতঙ্ক প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। এখন প্রশ্ন এই পদ্ধতির ব্যবহার তৃণমূল মানুষের মধ্যে কী সম্ভব? তবে বিড়াল , শিয়াল ও কুকুরের কামড় বা আচড়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে জলাতঙ্ক প্রতিশেধক টিকা অবশ্যই নিতে হবে।