• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২০, ২৬ আষাঢ় ১৪২৭, ১৮ জিলকদ ১৪৪১

ডিবির বিরুদ্ধে উৎকোচ নেয়ার অভিযোগ

ছেলে হত্যার বিচার দাবি

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, পীরগঞ্জ (রংপুর)

| ঢাকা , সোমবার, ১৩ মে ২০১৯

পীরগঞ্জের রেজাউল হত্যা মামলার স্বাক্ষীকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন, মামলাটির বাদীকে আটকের চেষ্টা করাসহ হয়রানির প্রতিবাদ এবং ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে অসহায় বাবা সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। গত শনিবার পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে ডিবি পুলিশের হয়রানির শিকার পরিবারটির অর্ধশতাধিক শিশু, নারী, পুরুষ অংশ নেয়। এ সময় প্রেসক্লাবে কান্নার রোল পড়ে যায়। সম্মেলনে অসহায় বাবার পক্ষে তার জামাতা শাহীনুর ইসলাম লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, উপজেলার যাদবপুর গ্রামের আলহাজ্ব আজিজার রহমানের ছোট ছেলে রেজাউল করিম বিগত ২০১৭ সালের ৫ এপ্রিল বিকেলে স্থানীয় চতরাহাটে যাবার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। পরে ওই বছরের ২৫ এপ্রিল একই গ্রামের একটি ভুট্টার ক্ষেত থেকে রেজার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আমিনুল ইসলাম পীরগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এতে মেজ ভাই মমিনুল ইসলামকে ২নং স্বাক্ষী করা হয়। মামলার পরই গ্রাম থেকে সন্দেহভাজন কয়েকজন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা পীরগঞ্জ থানার এসআই ফারুক মিয়া যাদবপুরের সাইফুল ইসলাম, মিষ্টার ও শাহীনকে গ্রেফতার করেন। এরপর মামলাটি রংপুর ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর হয়। ডিবির এসআই মনিরুজ্জামান মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত ৩০ এপ্রিল মামলাটির ২নং স্বাক্ষী মমিনুল ইসলাম (রেজার মেজ ভাই) কে ডিবি কর্মকর্তা গোপনে গ্রেফতার করে ৯ দিন পর্যন্ত গুম করে রাখে। ডিবি কর্মকর্তা সন্দেহভাজন আসামিদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের উৎকোচ নিয়ে মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা ও রেজার পরিবারকে অমানবিক নির্যাতন করছে। এ ব্যাপারে রেজার বাবা আজিজার রহমান বলেন, আমার ছেলে হত্যার বিচার চাওয়াতে অপর ২ ছেলেকেও পুলিশ নির্যাতন করছে। ২য় ছেলে মমিনকে ডিবি পুলিশ নিয়ে গিয়ে ৯ দিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করেছে। এখন বড় ছেলে আমিনুলকেও পুলিশ খুজছে। আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। আমি ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা রংপুর ডিবির এসআই মনিরুজ্জামান বলেন, রেজাউল করিম হত্যা মামলাটি ক্লুলেস মার্ডার। গত ৭ মে লালদীঘি বাজার মোড় থেকে মামলাটির স্বাক্ষী মমিনুল ইসলামকে আটক করি। তবে তাকে নির্যাতন করিনি। তিনি আরও বলেন, ৯ মে থেকে তার (মমিন) ৪ দিনের রিমান্ডে চলছে। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলা যাবে না।