• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ৬ ফল্গুন ১৪২৬, ২৪ জমাদিউল সানি ১৪৪১

ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবির গুলিতে পঙ্গুত্ববরণকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতা চান

সংবাদ :
  • নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, ঠাকুরগাঁও

| ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২০

গরু জব্দকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ে বিজিবি’র গুলিতে পঙ্গুত্ব বরণ আর অসুস্থ হয়ে বিছানায় পরে থাকা বহরপুর গ্রামের মানুষগুলো সাহায্য সহযোগিতার অভাবে এখন অসহায় হয়ে পরেছে। পরিবারের উপার্যনক্ষম হারিয়ে দিশাহারায় দিন কাটছে অনেকের। ঘটনার এক বছরেও কুল-কিনারা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা হরিপুর। এখানকার মানুষ অনেকটাই অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে দিন যাপন করে। এই উপজেলার বহরমপুর গ্রামে গেল বছরের এই দিনে ঘটে যায় অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা। গরু জব্দকে কেন্দ্র করে বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিজিবির গুলিতে হতাহতের ঘটনা ঘটলেও গেল এক বছরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত ও আহতের পরিবাররা পায়নি তেমন কোন সহযোগিতা। ফলে গুলিতে আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ ও অসুস্থ হয়ে বিছানায় পরে থাকা মানুষগুলো সীমাহীন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। কাক্সিক্ষত সহযোগিতা ও বিচার না পেয়ে এলাকাবাসী উদ্যোগে আজ সকালে বহরমপুর গ্রামে মানববন্ধন, প্রতিবাদ ও স্বরণ সভায় এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আর বিজিবির করা মামলার আতঙ্কে রয়েছে তারা। তাই সরকারের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তিদের বিচার ও সহযোগিতা কামনা করেন স্থানীয়রা।

নিহতের স্বজন, আব্দুল বারেক, জয়নাল, পঙ্গু হওয়া ব্যক্তি আবুল কাসেম, তৈমুর, নওশাদসহ কয়েকজন জানান, আমরা মহাজন ও জমি বিক্রি করে চিকিৎসা করেছে। আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকেছে। সংসারের খরচ ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে পারছি না। আমাদের মামলা খারিজ করে দিলেও বিজিবির মামলা এখনও আছে। আমরা প্রতিদিন ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছি। ক্ষতিগ্রস্ত হলাম আমরা। আবার আমাদেরকেই বিপদের মধ্যে দিন পার করতে হচ্ছে। আমরা মাননীয় প্রধাণমন্ত্রী সুদৃষ্টি কামনা করছি। তিনি বিষয়টি না দেখলে বেচে থাকা কঠিন হয়ে পরবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম জানান,তদন্ত প্রতিবেদনটি দ্রুত সময়ের মধ্যে জমা দেয়া হবে। আর বিজিবি.র মামলা বিষয়টি কোর্টের এখতিয়ার। কোর্ট নির্দেশনা দিলে তাদের সহায়তা করা হবে। জেলার হরিপুর উপজেলার বহরমপুর গ্রামে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বিজিবি ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিজিবির গুলিতে নিহত হয় নবাব, সাদেক, জয়নুল নামে তিনজন। আহত হয় ১৮ জন।