• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মহররম ১৪৪০

ঠাকুরগাঁওয়ে আমনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবেশক, ঠাকুরগাঁও

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ কর্মসূচির আওতায় চলতি আমন সংগ্রহ অভিযানে ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য দফতর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সফল হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট দফতর সূত্রে জানা গেছে। চলতি আমন চাল সংগ্রহ শুরু হয় গত ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ থেকে। এই সংগ্রহ অভিযানে প্রথম পর্বে বরাদ্দ দেয়া হয় ২৭ হাজার মেট্টিক টন চাল। প্রতিকেজি চাল ৩৯ টাকা দরে ১৩টি অটোমেটিক চাল কল ও ৮২৭টি হাস্কিং মিল মালিক সরকারের সঙ্গে চাল সরবরাহের চুক্তি করে। জেলার আরো ৯৬৪টি চালকল গত বোরো ২০১৭ অভিযানে চুক্তি করেনি। এ কারণে উল্লেখিত মিল মালিকরা আগামী ৪ মৌসুমে চাল ব্যবসায় সরকারের কাছে অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। উল্লেখিত বরাদ্দকৃত ২৭ হাজার মেট্টিক টন চাল সন্তোষজনকভাবে সংগৃহীত হলে খাদ্য অধিদপ্তর পরবর্তীতে আরো ২১ হাজার মেট্টিক টন চাল সংগ্রহের চুক্তি করে স্থানীয় চালকল মালিকদের সঙ্গে। এতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ৪৮ হাজার মেট্টিক টন চাল ১২টি খাদ্যগুদামের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে জেলার হাট-বাজারে চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৪২ টাকা থেকে ৪৫ টাকা এবং ফাইন রাইস বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা দরে। ধান বিক্রি হচ্ছে মণ প্রতি ৯২০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা দরে। ধানের দাম হাট-বাজারে হ্রাস পেলেও চালের দামের উপর প্রভাব পরেনি। এতে আড়তগুলোতে বিক্রির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধিও পাচ্ছে না।

জানা যায়, জেলার ১২টি সংগ্রহ কেন্দ্রের ধারন ক্ষমতা মাত্র ৪২ হাজার ৫০০ মেট্টিক টন। এসব গুদামে পুরানা খাদ্য শস্য বোরো চাল মজুদ রয়েছে ৩০ হাজার ৩৩৪ মেট্টিক টন। গম রয়েছে ১১৮০ মেট্টিক টন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হবে চলতি মৌসুমের গম সংগ্রহ কার্যক্রম। এ জন্য মজুদকৃত গুদামগুলো অতিদ্রুত খালি করার উদ্যোগ নেয়া দরকার। দেশের যে পরিমাণ গম উৎপন্ন হয় তার দুই-তৃতীয়াংশ গম ঠাকুরগাঁও জেলায় উৎপন্ন হয়ে থাকে। গত সংগ্রহ অভিযানে মাত্র ১ লাখ ৪৪ হাজার কৃষকের কাছ থেকে গম ক্রয়ের কথা থাকলেও নানা অনিয়ম, রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপের দরুণ প্রকৃত গম চাষীরা সরকারি গুদামে গম বিক্রয় হতে বঞ্চিত হয়েছে।

জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি ইয়াকুব আলী ও সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা আলম ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবরে অনিয়ম, দুর্নীতি ও দলীয় প্রভাব বন্ধ করে মেহনতি চাষী কৃষকদের খাদ্য শস্য শান্তিপূর্ণভাবে ক্রয়ের আবেদন জানিয়েছেন।