• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২০, ১৭ জিলহজ ১৪৪১, ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭

চট্টগ্রাম মহানগরে ২৫ ভবনে নির্মিত হবে ১৩৮৩ ফ্ল্যাট

সংবাদ :
  • চট্টগ্রাম ব্যুরো

| ঢাকা , সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২০

স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের মাথাগোজার ঠাঁই করে দিতে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ হাতে নেয়া ফ্ল্যাট প্রকল্পে ২৫টি ভবনের কাজ চলমান রয়েছে। মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে এসব ভবনে ১৩৮৩টি ফ্ল্যাট নির্মিত হচ্ছে। এসব ফ্ল্যাট নির্মাণ সম্পন্ন হলে প্রকৃত ব্যয়ের ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণ করে ক্যাটাগরি অনুসরণপূর্বক আবাসিক ফ্ল্যাটগুলো বরাদ্দ প্রদান করা হবে বলে জানা গেছে। চট্টগ্রামে গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের অধীনে সমস্ত সুযোগ-সুবিধার সমন্বিত এ ২৫টি ভবন হচ্ছে ৮ থেকে ১৪ তলাবিশিষ্ট। হালিশহর জি ব্লকে (তৃতীয় পর্যায়ে) ৫টি ১৪ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণাধীন রয়েছে। এ পাঁচটি ভবনে মোট ২৬০টি ফ্ল্যাট হবে। একই এলাকায় চতুর্থ পর্যায়ে ৬টি ১৪ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এই ছয়টি ভবনে মোট ফ্ল্যাট হবে ৩১২টি। তাছাড়া ফিরোজশাহ এলাকায় ৪টি ১০ তলা ভবন করা হচ্ছে। এ চারটি ভবনে হবে ৩৪২টি ফ্ল্যাট। কক্সবাজারের হচ্ছে ১০টি ৮ তলাবিশিষ্ট ভবন। এ দশটি ভবনে মোট ফ্ল্যাট হবে ৪৬৯টি। মোট ২৫টি ভবনে ১৩৮৩টি ফ্ল্যাট হবে। আগামী জুনের মধ্যেই এসব ফ্ল্যাট নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ফ্ল্যাটের বরাদ্দও শেষ হয়েছে। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের সহকারী প্রকৌশলী মাসুদ রেজা বলেন, প্রকৃত ব্যয়ের ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণ করে ক্যাটাগরিভিত্তিক বরাদ্দ দেয়া হয়। বর্তমানে চলমান ফ্ল্যাট প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৩১২টি ফ্ল্যাট অবরাদ্দকৃত আছে। বাকি সবগুলো ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তবে ৮টি প্রকল্প চলমান রয়েছে উল্লেথ করে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের চট্টগ্রাম বিভাগীয় অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এরমধ্যে হালিশহর জি ব্লকে তৃতীয় পর্যায়ে ৫টি ১৪ তলা ভবনে ২৬০টি ফ্ল্যাট, চতুর্থ পর্যায়ে ৬টি ১৪ তলা ভবনে ৩১২টি ফ্ল্যাট, ফিরোজশাহে ৪টি ১০ তলা ভবনে ৩৪২টি ফ্ল্যাট এবং কক্সবাজারে ১০টি ৮ তলা ভবনে ৪৬৯টি ফ্ল্যাট প্রকল্প রয়েছে। বাকিগুলো প্লট ও বাণিজ্যিক প্রকল্প। তিনি বলেন, সর্বসাধারণের জন্য আমাদের প্রকল্পগুলো। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফ্ল্যাটগুলো নির্মাণ করে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়। এটি কোন লাভজনক প্রকল্প নয়।

প্রকল্পের খরচ অনুপাতে বরাদ্দ প্রাপ্তদের কাছ থেকে মূল্য আদায় করা হয়।