• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ মহররম ১৪৪২, ১২ আশ্বিন ১৪২৭

গোপালগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ

| ঢাকা , শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নিখোঁজের একদিন পর পরিত্যক্ত ভিটায় মিলল সুমা খানম (৬) নামের এক শিশুর গলা কাটা লাশ।

বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার কুসুমদিয়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ভিটা থেকে এ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় আজিম মোল্যা ও নূর মোহাম্মাদ মোল্যা নামে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সুমা কাশিয়ানীর উপজেলার রাতইল ইউনিয়নের চাপ্তা গ্রামের মো. মিজান শেখের মেয়ের ও চাপ্তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী।

কাশিয়ানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গনেশ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, সুমা বুধবার কাশিয়ানী উপজেলার চাপ্তা রেল স্টেশন থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর বিভিন্নস্থানে খোঁজ করেও তার কোন সন্ধান পায়নি পরিবারের লোকেরা। গত বৃহস্পতিবার ভোররাত ৩টার দিকে কুসুমদিয়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ভিটায় সুমার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশকে জানায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের গলা কাটা রয়েছে। ওই শিশুকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা আরো জানান,লাশের ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে বলেওজানিয়েছেন পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

বিএম কলেজে ছাত্রলীগের পাল্টাপাল্টি মহড়া : সংঘর্ষের আশঙ্কা

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, বরিশল

ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের ধাওয়া পাল্টাধাওয়ার জেরে গত মঙ্গলবার থেকে বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি মহড়া দিয়ে ক্যাম্পাসে নিজেদের শক্তিমত্তা দেখাচ্ছে। সর্বশেষ গত বুধবার রাতে কলেজ সংলগ্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। উভয়পক্ষই বিপুলসংখ্যক বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যেকোন সময় কলেজে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার কলেজের মূল ভবনের সামনে সমাজকল্যাণ বিভাগের ১ম ও ২য় বর্ষের মধ্যে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালে তুচ্ছ ঘটনায় সমাজকল্যাণ বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্র ফাহিমের সঙ্গে ২য় বর্ষের ছাত্র জাফরের হাতাহাতি এবং একপর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। ফাহিম জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিমের এবং জাফর মহানগর ছাত্রলীগ নেতা রইজ আহম্মেদ মান্নার অনুসারী। ওই দিন উভয়পক্ষ ধারালো অস্ত্র হাতে নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দেয়। মঙ্গলবার কলেজ প্রশাসন উভয়পক্ষকে ডেকে তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিয়েছিলেন।

বুধবার দুপুরে জাফর তার সহযোগীদের নিয়ে আবার ক্যাম্পাসে মহড়া দেয়। এ সময় প্রতিপক্ষ গ্রুপের আলিফ হোসেন হিরা নামক একজনকে লাঞ্ছিত করলে দু’পক্ষের মধ্যে আবার মারামারি হয়। এর জের ধরে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উভয়পক্ষ আবারও ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে উপস্থিত হয়।

পুলিশ এসে দু’পক্ষের মঝামাঝি অবস্থান নিলে মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়ানো যায়। পরবর্তীতে জাফর তার সহযোগীদের নিয়ে কলেজ সংলগ্ন সড়ক প্রায় আধাঘণ্টা অবরোধ করে রাখলে ওই সড়ক দিয়ে যানবহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কলেজ অধ্যক্ষ এসে পুলিশের সহযোগিতায় তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানান, কলেজে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তারা কঠোর অবস্থানে আছেন। কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শফিকুর রহমান সিকদার সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার দু’পক্ষের বিরোধ ওইদিনই মিটিয়ে দেয়া হয়েছে। তারপরও দু’পক্ষই বারবার ঝামেলার সৃষ্টি করছে। কলেজ প্রশাসন বিষয়টি কঠোরভাবে দেখছেন।