• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শুক্রবার, ২৪ মে ২০১৯, ১০ জৈষ্ঠ্য ১৪২৫, ১৮ রমজান ১৪৪০

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-২০১৯

গাংনীতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচার কার্যালয় ভাংচুর

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, মেহেরপুর

| ঢাকা , শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৯

image

মেহেরপুর : গাংনী উপজেলা স্বতন্ত্র প্রার্থীর তছনছ করা প্রচার কার্যালয় -সংবাদ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিরুল ইসলামের আরো একটি নির্বাচনী প্রচারণা অফিসে ভাংচুর করা হয়েছে। বুধবার দিবাগত মধ্য রাতে দুর্বৃত্তরা বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের নির্বাচনী প্রচারণা অফিসের চেয়ার, টেবিল ভেঙ্গে অফিস গুড়িয়ে দেয়। এর আগে গেল ১১ মার্চ রাতে পোড়াপাড়া বাজারে মজিরুল ইসলাম ও ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখনের নির্বাচনী প্রচারণা অফিসে ভাংচুর করে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর লোকজন।

মজিরুল ইসলামের কর্মী বাঁশবাড়ীয়া গ্রামে ময়নাল হোসেন বলেন, আমরা রাত বারটা পর্যন্ত অফিসে ছিলাম। গভীর রাতে কয়েকজন লাঠিসোটা নিয়ে এসে চেয়ার, টেবিল ভাংচুর করে। অফিসের ছাউনি ও তিন দিকে ঘেরার কাজে ব্যবহৃত সামিয়ানা কাপড় ছিড়ে দেয় এবং বাঁশের খুঁটি কেটে দেয়। এর আগে সন্ধ্যায় নৌকা প্রতীকের কর্মীরা আমাদেরকে অফিস সরিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজন এ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিরুল ইসলামের।

মজিরুল ইসলাম আরো বলেন, বুধবার বিকেলে কাজিপুর ইউনিয়নের হাভাভাঙ্গা মাদ্রাসা পাড়ায় অফিস তৈরী করতে গেলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি আবু নাতেকের নেতত্বে বাধা দেয়া হয়। বাধার মুখে অন্য স্থানে অফিস করতে হয়েছে।

এদিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিয়ে উত্তাপ বিরাজ করছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা অফিস ভাংচুরের মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি যাচ্ছে সংঘাতের দিকে। একদিকে ক্ষমতাসীন দলের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক এবং তার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী একই দলের অঙ্গ সংগঠনের তিন নেতা। ফলে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন দলটির স্থানীয় নেতাকর্মীরা। নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন কর্তৃক স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অফিস ভাংচুর ও হুমকি ধামকিতে ক্ষোভ বিরাজ করছে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কর্মী সমর্থকদের মাঝে। এতে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা দেখা দিয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখন বলেন, আমরাও তো দল করি। কিন্তু নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও তার লোকজন যা করছে তাতে দলের মধ্যে নতুন বিভেদ সৃষ্টি হচ্ছে।

গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হরেন্দ্র নাথ সরকার বলেন, কারা ভাংচুরের সাথে জড়িত তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা রির্টার্নিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা জেলা নির্বাচন অফিসার আহমদ আলী বলেন, এর আগে অফিস ভাংচুরের ঘটনায় ওসির মাধ্যমে তাদেরকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। গত রাতের ভাংচুরের ঘটনায় অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।