• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১১ ভাদ্র ১৪২৫, ২৪ জিলহজ ১৪৪০

কেরানীগঞ্জে সরকারি খালে নেতার আবাসন বাণিজ্য

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)

| ঢাকা , সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

image

ঢাকা : কেরানীগঞ্জের তারানহর ইউনিয়নের ঘাটারচরে টোটাইল মৌজায় সরকারি খালে এভাবেই চলছে ভরাট -সংবাদ

ঢাকার কেরানীগঞ্জের তারানগর ইউনিয়নের ঘাটারচরে টোটাইল মৌজায় একটি সরকারি খাল ভরাট করে হাউজিং করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঢাকা জেলা স্বেচ্ছা সেবকলীগের সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের নেতৃত্বে ৫-৬ জনের একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে এই খাল ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। খালের ওপরে ৫৪ লক্ষ টাকা ব্যায়ে একটি ব্রিজ নির্মাণের সাত মাস পরেই এই খালটি ভরাট করা হয়েছে। গতবছরের জুন মাসের ৭ তারিখে এই খালের ওপর নির্মিত ব্রিজটি উদ্বোধন করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়মী লীগের আহ্বায়ক শাহীন আহমেদ। এলাকাবাসীদের কাছ থেকে জানা যায়, তারানগর ইউনিয়নের ঘাটারচরে টোটাল মৌজায় একমাত্র শতবর্ষের পুরাতন খাল হচ্ছে এটি। এই খাল দিয়ে নৌকাযোগে এক সময় ঘাটারচর, জয়নগর, কলমারচর, আটিসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন বুড়িগঙ্গা হয়ে রাজধানীর বছিলা ও মোহাম্মদপুর এলাকায় যাতায়াত করত। গতবছরের জুনমাসে খালের ওপর ঘাটারচর ও সাভারের বাকুর্তা ইউনিয়নের লুটেরচরের মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের অর্থায়নে এই ব্রিজটি নির্মিত হয়। ব্রিজ নির্মাণের আগেই খালটি পুনঃখনন করাও হয়। কিন্তু ব্রিজ নির্মাণের সাত মাস যেতে না যেতেই হাউজিং ব্যবসায়ীদের একটি সিন্ডিকেট এই খালটি ভরাট করে তাদের ক্রয়কৃত জমির সঙ্গে একত্রিত করে প্লট আকারে বিক্রি করছে। খালের পানি গ্রামবাসী কৃষি কাজে ব্যবহার করত। খালটি ভরাট করে ফেলায় পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ঘাটারচরের খালের পাড়ের বাসিন্দা মো. রতন মিয়া জানান, আমরা দীর্ঘদিন যাবত এই খালের পানি জমিতে সেচের কাজে এবং গৃস্থালীর নানা কাজেও ব্যবহার করতাম। এ ব্যাপারে স্বেচ্ছা সেবকলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজান বলেন, আমরা কোন খাল ভরাট করিনি। আমরা আমাদের বাপ-দাদার পৈত্রিক রেকোর্ডিও সম্পত্তি ভরাট করে প্লট করেছি।

তারানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ফারুক বলেন, ব্রিজ নির্মাণের আগেই খালটি পুনঃখনন করা হয়। কিন্তু একটি চক্র রাতের আধারে খালটি বালি ফেলে ভরাট করে ফেলে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য খালটি রক্ষা করা দরকার। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহে এলিদ মাইনুল আমিন বলেন, সরকারি খাল কেউ ভরাট করতে পারবে না। কেউ যদি তা করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।