• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ২ মাঘ ১৪২৭, ২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কিশোরগঞ্জ পৌর কর্মীদের ধর্মঘটে নাগরিক সেবা বন্ধ

সংবাদ :
  • জেলা বার্তা পরিবেশক, কিশোরগঞ্জ

| ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯

image

কিশোরগঞ্জ : পুরান থানা এলাকায় প্রধান সড়কে আবর্জনার স্তূপ -সংবাদ

সরকারি কোষাগার থেকে বেতন ও পেনশন প্রদানের দাবিতে সারা দেশের ন্যায় কিশোরগঞ্জের পৌর কর্মচারীরাও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটে রয়েছেন। ময়লাবাহী গাড়ির চাকা বন্ধ। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা কোন ময়লা আবর্জনা সরাচ্ছেন না। কোন ড্রেন পরিস্কার হচ্ছে না। পানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। পৌরসভার নিয়ন্ত্রণাধীন সড়ক বাতিগুলো জ্বলছে না। মধ্যরাতে দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেলে শহরে ভুতুরে পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিশেষ করে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা অন্ধকারে ডুবে যায়। এতে চুরি ছিনতাইসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থির অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ১৪ জুলাই থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। সারাদেশের পৌর কর্মচারীরা বর্তমানে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ পৌর কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক রোকন। ধর্মঘটের ফলে কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার যত্রতত্র ময়লা আবর্জনার বিশাল বিশাল স্তূপ জমে যেন পুরো শহরটিই একটি অসংখ্য উন্মুক্ত ডাস্টবিনের শহর হয়ে উঠেছে। মানুষের এখন রাস্তা দিয়ে চলাচল করাটাই দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আর পথচারীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। কয়েক দিনের পঁচা আবর্জনার দুর্গন্ধে দোকানপাটে বসে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। পথচারীরা যানবাহনে এবং পায়ে হেঁটে রাস্তা দিয়ে স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছেন না। বিশেষ করে বাসাবাড়ি এবং হোটেল রেস্তোরাঁর পচনশীল বর্জ্য যেসব এলাকায় স্তূপাকারে জমা হচ্ছে, ওই সব এলাকার পরিবেশ সবচেয়ে নাজুক। এলাকার বাতাসে এখন উৎকট দুর্গন্ধ। বিশেষ করে যেদিন বৃষ্টি হয়, সেদিন তো অবস্থা আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। নোংরা দুর্গন্ধময় আবর্জনা রাস্তাসহ পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা ধর্মঘটে থাকায় দিন দিন ময়লার স্তূপ আরও উঁচু হয়ে উঠছে। ড্রেনগুলো আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে পরিষ্কার করা হতো না। ধর্মঘটের ফলে এখন পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার চিত্র আরও করুণ। জলাবদ্ধতার মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্জ্য আর আবর্জনা পরিষ্কার, সড়ক বাতি জ্বালানো এবং পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবাগুলো বন্ধ থাকায় পৌরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ জমছে। তারা এর হাত থেকে পরিত্রাণ চান।