• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ মহররম ১৪৪২, ১২ আশ্বিন ১৪২৭

কালীগঞ্জে পরীক্ষার কক্ষ থেকে শিক্ষার্থীর খাতা উধাও : ২ শিক্ষক বহিষ্কার

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)

| ঢাকা , শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে এক পরীক্ষার্থীর খাতা পাওয়া যায়নি। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার বারোবাজার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে। এদিকে ওই কক্ষে ২ শিক্ষক পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকলেও কিভাবে একটি খাতা হারিয়ে গেলো সে প্রশ্নে ওই দুই কক্ষ পরিদর্শককে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃত শিক্ষকেরা হলেন, বারোবাজার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জেসমিন নাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিদ্যা নিকেতনের সহকারী শিক্ষক আকরাম হোসেন। এদিকে ওই কক্ষে সিসি ক্যামেরা সক্রিয় থাকলেও পরীক্ষার্থী হাফিজা ছিল ক্যামেরার ধারনের অনুপযোগী স্থানে। ফলে সিসি ক্যামেরাও কোন কাজে আসেনি।

ওই কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব হাট বারোবাজার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবেদা নাসরিন জানান, ১নং কক্ষের ২ কক্ষ পরিদর্শক শিক্ষক গননা করে ৪১টি খাতা নিয়ে রুমে গেছেন। কিন্ত পরীক্ষা শেষে খাতা জমা দেয়ার সময় জমা দিচ্ছেন মোট ৪০টি। এরপর তারা পড়েন চরম বিপাকে। এক পর্যায়ে খাতার টপসিটে লেখা রোল মিলিয়ে দেখেন হাট বারোবাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাফিজা ইয়াসমিনের খাতা নেই। পরে তার সঙ্গে কথা বলেও কোন সুরাহা না হওয়ায় তারা উপরি কর্মকর্তাদের জানিয়েছেন।

ওই পরীক্ষাকেন্দ্রের হল সুপার উপজেলার সূবর্ণসারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রমেশ চন্দ্র বিশ্বাস জানান, গত বৃহস্পতিবার ছিল এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কৃষি শিক্ষা বিষয়ে পরীক্ষা। ওই কেন্দ্রের ১নং কক্ষে মোট ৪১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পরীক্ষার শেষ ঘন্টা বাজলে পরীক্ষার্থীরা খাতাও জমা দিয়ে সকলে বের হয়ে যায়। পরে কক্ষ থেকে খাতা নিয়ে এসে ওই দুই কক্ষ পরিদর্শক খাতা জমা দিতে গেলে খাতা গননা করে দেখা যায় একটি খাতা কম। পরে খাতার উপরে লেখা রোল মিলিয়ে দেখা যায় ২৩৬৮৭৮ রোল নম্বরধারীর খাতা নেই। অথচ হাজিরা খাতায় তার সহি রয়েছে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও খাতা না পেয়ে ওই পরীক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসা করা হয়। তারপরও খাতা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্ব অবহেলার কারনে ২ কক্ষ পরিদর্শককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সূবর্ণা রানী সাহা ঘটনাটির সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্বে অবহেলার কারনে ইতোমধ্যে ওই কক্ষে দায়িত্ব পালনকারী ২ শিক্ষককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ওই পরীক্ষার্থীর ব্যাপারে যশোর শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।