• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ৯ রবিউস সানি ১৪৪২

আশাদুলের কুল-পেয়ারা বাগানে ১০০ মানুষের বেকারত্ব দূর

সংবাদ :
  • প্রতিনিধি, চৌগাছা (যশোর)

| ঢাকা , শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০

image

যশোরের চৌগাছায় হাইব্রিড জাতের কুল ও থাই পেয়ারা চাষে ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে কৃষক আশাদুল ইসলামের। বর্তমানে তিনটি বাগানে ১৯ বিঘা থাই পেয়ারা ও ৮ বিঘা জমিতে হাইব্রিড বাউ কুলের চাষ রয়েছে তার।

জানা গেছে, প্রায় ১৩ বছর ধরে থাই পেয়ারা ও বাউকুলের চাষ করে আসছেন উপজেলার হাকিমপুর ইউনিয়নের মাঠচাকলা গ্রামের ছাব্দার বিশ্বাসের ছেলে আশাদুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে চাষ করেও কাক্সিক্ষত সাফল্য না পেলেও এবছর গোল্ডেন ৮ জাতের থাই পেয়ারা ও বাউকুলে তার ভাগ্যের চাকা বদলে দিয়েছে। চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত প্রায় ২৮ লাখ টাকার পেয়ারা ও ৮ লাখ টাকার কুল বিক্রি করেছেন তিনি।

গ্রামের কর্মঠ যুবকদের মধ্যে সুনাম রয়েছে আশাদুলের। তবে প্রায় ১৩ বছর ধরে পেয়ারা ও কুল চাষ করেও কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছিলেন না তিনি। পরে গোল্ডেন-৮ জাতের থাই পেয়ারার চাষ করে ভাগ্য বদলে যায় তার। হাকিমপুর বাজারে রয়েছে আশাদুলের একটি আড়ত। যার নাম আশাদুল ফল ভাণ্ডার। সেখান থেকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ঢাকার ওয়াইজঘাট, নারায়ণগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, কাওরান বাজারসহ দেশের বিভিন্নস্থানে কুল ও পেয়ারা বাজারজাত করেন তিনি। আশাদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে পেয়ারা ও কুল আবাদ করেও লাভবান হচ্ছিলাম না। পরে গোল্ডেন-৮ জাতের পেয়ারা চাষ করি। চলতি বছর প্রায় ২৮ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রি করেছি। আর কুল বিক্রি হয়েছে প্রায় ৮ লাখ টাকার। সফলতার কারণ সম্পর্কে আশাদুল জানান ঠিকমতো পরিচর্যা, সঠিক সময়ে সার ও ওষুধ প্রয়োগের সঙ্গে ফল আসার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো পলিপ্যাক দিয়ে মুড়িয়ে দেয়া হয়। আগে পেয়ারায় পলিপ্যাক দিয়ে মুড়িয়ে দেয়া হতো।

এখন বাউকুলও পলিপ্যাকে মুড়িয়ে দেয়া হয়। তাতে পোকামাকড় ও পাখিতে কুল ও পেয়ারা নষ্ট করতে পারে না। আশাদুল বলেন আমার ৩টি বাগানে মোট ১৯ বিঘা পেয়ারার আবাদ রয়েছে। এছাড়া একটি ৮ বিঘা কুলের বাগানে পরিচর্যা ও কুল-পেয়ারা পেড়ে বাজারজাতকরণের কাজে ৫০ থেকে ১০০ জন শ্রমিকের জীবিকা নির্বাহ হয়। এ বিষয়টি আমার সবচেয়ে ভাল লাগে। যে আমি ১০০ জন মানুষের কর্মসংস্থান করছি। তাছাড়া আমি নিজেও লাভবান হচ্ছি। তিনি বলেন এসব চাষে আমাদের কৃষি অফিসের কোন সহায়তা লাগে না। কৃষি অফিসের লোকজন আসেনও না। অন্য চাষিদের নিকট থেকে পরামর্শ নিয়েই চাষাবাদ করছি।