• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০, ০১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৩ জিলকদ ১৪৪১

‘দেশের উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে’

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২০

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেসরকারি খাতের উন্নয়নের ওপর নির্ভরশীল। কাজেই দেশটাকে যদি এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, তাহলে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। তার (প্রধানমন্ত্রী) কথা হলো, দেশটাকে বেসরকারি খাতটাই এগিয়ে নিয়ে যাবে। সরকারের কাজটা হলো অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে দেয়া। তিনি সেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন।

গতকাল রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেলে এক কর্মশালা ও মতবিনিময় সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী হলেন, তখন অনেকগুলো খাত মনোপোলি ছিল বা সরকারের কাছে ছিল। সেগুলো তিনি কিন্তু বেসরকারি খাতের হাতে দিয়ে দিলেন। অনেকগুলো উদাহরণ আছে। যেমন মোবাইলফোন। তিনি ক্ষমতায় আসার সময় মাত্র একটা লাইসেন্স ছিল। এখন মোবাইলফোনের ৯০ ভাগের বেশি কার্যক্রম বেসরকারি খাতের। সরকারের একটা মোবাইলফোন কোম্পানি আছে, কিন্তু সেটার মার্কেট শেয়ার খুবই কম। বেশিরভাগই কিন্তু বেসরকারি খাত। তাছাড়া প্রাইভেট ব্যাংক, প্রাইভেট ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, প্রাইভেট হাসপাতাল, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি- মানে এমন কোন খাত নেই যেখানে তিনি বেসরকারি খাতকে অনুমতি দেননি। ব্যবসা সহজীকরণের সম্পত্তি নিবন্ধন সূচক নিয়ে কর্মশালা ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবসা সহজীকরণ সূচকে বিশ্বের ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ১৬৮তম। তার আগের বছর ১৭৬তম স্থানে ছিল বাংলাদেশ। অর্থাৎ এ সূচকে আট ধাপ এগিয়েছে দেশ। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এ বছর বা ২০২০ সালে আমরা কমপক্ষে ৩০ ধাপ এগোব। আর আগামী বছর আমরা লক্ষ্যমাত্রা ১০০-এর নিচে বা দুই ডিজিটে চলে আসব।

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ব্যবসা সহজীকরণ সূচকে উন্নতির জন্য আমরা কাজ করছি। ঢাকা ও চট্টগ্রামে কোম্পানি থেকে কোম্পানিতে ভূমি হস্তান্তর দলিল করতে বর্তমানে ১৮০ দিন লাগে। এই দীর্ঘসূত্রিতা দূরীকরণের লক্ষ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে কোম্পানি থেকে কোম্পানির ভূমি হস্তান্তরের দলিল সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রদান করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় বিশ্বব্যাংকের অঙ্গসংগঠন আইএফসির প্রতিনিধি মিয়া রহমত আলী বলেন, বিশ্বব্যাংকের করা ইজি অব ডুয়িং বিজনেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯০টি দেশের ওপর গবেষণা করে দেখা যায়, সূচকে যদি ১ ভাগ উন্নতি হয়, তাহলে পরবর্তী ৩ থেকে ৫ বছরে আড়াইশ’ থেকে ৫০০ মিলিয়িন বিদেশি বিনিয়োগ হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল।