• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ২৬ চৈত্র ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪১

৬ লাখ টাকায় পাওয়া যাবে শেয়ার লেনদেনের লাইসেন্স

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০

গ্রাহকদের জন্য শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা করার জন্য ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট (ট্রেক) ৬ লাখ টাকায় পাওয়া যাবে। তবে ট্রেক নেয়ার জন্য থাকতে হবে কমপক্ষে ৩ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন। এছাড়া ২ কোটি টাকা জামানত দিতে হবে। এমন বিধান রেখে ‘ট্রেডিং রাইট এনটাইটেলমেন্ট সার্টিফিকেট বিধিমালা ২০২০’ খসড়া করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

জনমত যাচাইয়ের মাধ্যমে এ খসড়া চূড়ান্ত করতে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে মতামত চেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মতামতে খসড়ার কোন বিষয়ে আপত্তি বা পরামর্শ থাকলে তা জানাতে বলা হয়েছে। তবে করোনাভাইরাসের কারণে সরকারি ছুটি ৪ এপ্রিল থেকে বৃদ্ধি পেলে, মতামত পাঠানোর সময়ও বাড়ানো হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গেছে।

কোম্পানি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কমিশনের অনুমোদিত কোন প্রতিষ্ঠান স্টক এক্সচেঞ্জের ট্রেক কিনতে পারবেন। এই ট্রেক পাওয়ার জন্য ১ লাখ টাকা ফিসহ এক্সচেঞ্জে আবেদন করতে হবে। আর ৫ লাখ টাকা দিতে হবে নিবন্ধন ফি হিসেবে। অর্থাৎ ৬ লাখ টাকায় গ্রাহকদের পক্ষে শেয়ার বেচাকেনা করে দেয়ার ব্যবসা করতে ট্রেক পাওয়া যাবে। তবে এই ট্রেকের মালিক স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ারহোল্ডার হবেন না। শুধু শেয়ার ও ইউনিট বেচাকেনা করার সুযোগ পাবেন। আর ট্রেকহোল্ডারকে প্রতিবছর ১ লাখ টাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে ফি দিতে হবে।

ট্রেক পাওয়ার জন্য কমপক্ষে ৩ কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে। এছাড়া সার্বক্ষণিক নীরিক্ষিত নিট সম্পদের পরিমাণ পরিশোধিত মূলধনের ন্যূনতম ৭৫ শতাংশের বেশি থাকতে হবে। আর স্টক এক্সচেঞ্জে ২ কোটি টাকা বা কমিশনের সময় সময় নির্ধারিত অর্থ জামানত হিসাবে রাখতে হবে। অর্থাৎ ৬ লাখ টাকায় ট্রেক পাওয়ার জন্য আরও কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা থাকতে হবে।

কোন প্রতিষ্ঠান ট্রেক পেলে তা হস্তান্তর করা যাবে না। আবার নিবন্ধন পাওয়ার এক বছরের মধ্যে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক ডিলার, স্টক ব্রোকার ও অনুমোদিত প্রতিনিধি) বিধিমালা ২০০০ অনুযায়ী স্টক-ডিলার বা স্টক-ব্রোকার’র সনদ নিতে হবে। এই সনদ নেয়ার ৬ মাসের মধ্যে ব্যবসা শুরু করতে না পারলে ট্রেক বাতিল হয়ে যাবে।