• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯ মহররম ১৪৪২, ১০ আশ্বিন ১৪২৭

ব্যাংকারদের করোনা থেকে বাঁচতে বিশেষজ্ঞদের ১৩ পরামর্শ

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দে?শে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি চলছে। বন্ধ রয়েছে বেশিরভাগ সেবা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু অর্থনীতি সচল রাখতে খোলা রয়েছে ব্যাংক। তাই ব্যাংকে করোনাভাইরাসের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ১৩টি নির্দেশনা দিয়েছে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহযোগিতার জন্য গঠিত ৮ সদস্যের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ কমিটি এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা চীন ও অন্য দেশের সংশ্লিষ্ট কারিগরি নির্দেশনাগুলো অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের জন্য এ নির্দেশনা দিয়ে বই প্রণয়ন করেছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যবসা কেন্দ্র এবং ব্যক্তি পর্যায়ে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সম্পূর্ণ সমাপ্তি না হওয়া পর্যন্ত (স্বল্প ঝুঁকি, মধ্যম ঝুঁকি ও উচ্চ ঝুঁকি) সংশ্লিষ্ট কারিগরি নির্দেশনাগুলো মেনে চলতে বলা হয়েছে।

ব্যাংকের জন্য দেয়া ১৩ নির্দেশনা হলো, ব্যাংক খোলার আগে মহামারী প্রতিরোধী সামগ্রী যেমন- মাসিক জীবাণুনাশক সামগ্রী ইত্যাদি সংগ্রহ এবং আপদকালীন পরিকল্পনা তৈরি করা। আপদকালীন সংক্রমিত বস্তুর ডিসপোজাল এলাকা স্থাপন করা। যেখানে সব ইউনিটের জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং কর্মীদের প্রশিক্ষণকে জোরদার করা। কর্মীদের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা। প্রতিদিন কর্মীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক ব্যবস্থা নথিভুক্ত করা এবং যারা অসুস্থ অনুভব করবে তাদের সঠিক সময়ে চিকিৎসা দেয়ার ব্যবস্থা। ব্যাংকের প্রবেশমুখে তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণকারী যন্ত্র স্থাপন করা। শুধুমাত্র স্বাভাবিক তাপমাত্রা সম্পূর্ণ ব্যক্তিদের কর্মস্থলে ঢুকতে দেয়া। বায়ু চলাচল বৃদ্ধি করা। সেন্ট্রাল এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এয়ার কন্ডিশনারের স্বাভাবিক ক্রিয়া নিশ্চিত করা। বিশুদ্ধ বাতাস বৃদ্ধি এবং এয়ার সিস্টেমে ফিরে আসা বাতাসকে বন্ধ করা। সর্বসাধারণের ব্যবহার্য সুবিধাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা (যেমন- কিউইং মেশিন, কাউন্টার, চিফার মেশিন, রোলার পেন, ক্যাশ কাউন্টার, এটিএম, জনসাধারণের বসার জায়গা ইত্যাদি)। জনসাধারণের চলাচলের এলাকা যেমন ব্যাংকিং লবি, এলিভেটর এবং তথ্যকেন্দ্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং ময়লা সময় মতো পরিষ্কার করা।

এছাড়াও এটিএমে প্রবেশের লাইনে দাঁড়ানোর সময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার কথা মনে করিয়ে দেয়ার জন্য লাইনে এক মিটার দূরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা স্থাপন করা। ব্যবসায়িক কাজে ব্যাংকে আসা মানুষের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা। প্রতিদিনের ব্যবসায়িক কাজের জন্য ই-ব্যাংকিং অথবা এটিএম ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া। কাউন্টার জীবাণুনাশকের ব্যবস্থা এবং সবাইকে হাত পরিষ্কারের ব্যাপারে সচেতন করা। স্টাফদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জোরদার এবং মাস্ক পরতে হবে। হাতের হাইজিনের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। হাঁচি দেয়ার সময় মুখ এবং নাক টিস্যু বা কনুই দিয়ে ঢাকতে হবে। ব্যাংকে আগত সবাইকে মাস্ক পরতে হবে। পোস্টার ইলেকট্রনিক্স স্ক্রিন এবং বুলেটিন বোর্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিবেশ জোরদার করা।