• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ রবিউল আওয়াল ১৪৪১

বেনাপোল বন্দরে দুদিনে ২৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , বুধবার, ১২ জুন ২০১৯

image

ঈদুল ফিতরের টানা এক সপ্তাহ ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। এতে বেড়েছে পণ্য খালাস। দুদিনে আমদানি পণ্য থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ২৮ কোটি ১১ লাখ টাকা। গতকাল সকাল থেকে বেনাপোল বন্দর এলাকায় পণ্য খালাসে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যস্ততা দেখা যায়।

ব্যবসায়ী ও বন্দর সূত্রে জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দেশের স্থলপথে যে পণ্য আমদানি হয়, তার ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে। বিশেষ করে এ বন্দর থেকে শিল্প-কারখানায় ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল, গাড়ির চেচিস, মোটরপার্টস আমদানি বেশি হয়। পণ্য খালাসের কাজে বন্দর, কাস্টমস, সিঅ্যান্ডএফ, ট্রান্সপোর্ট ও বিভিন্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছে। প্রতি বছর সরকার এ বন্দর দিয়ে অন্তত ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ করে থাকে। বেনাপোল আমদানি-রপ্তানি ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, এবার ঈদুল ফিতরের আগে ও পরে মিলে এক সপ্তাহ বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। এতে ব্যবসায়ীরা পণ্য খালাস নিতে পারেননি। তাই ঈদের ছুটি শেষে সব ব্যবসায়ীরা তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য খালাস নিচ্ছেন। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়েছে।

বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (প্রশাসন) আবদুল জলিল বলেন, বর্তমানে বেনাপোল বন্দরে সপ্তাহে ছয়দিনে ২৪ ঘণ্টা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য হয়ে থাকে। ব্যবসায়ীরা যাতে বন্দর থেকে দ্রুত তাদের প্রয়োজনীয় পণ্য খালাস নিতে পারেন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সব ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমসের সহকারী কমিশনার উত্তম চাকমা জানান, সরকারি ছুটি শেষে অফিস খুলেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা ছুটিতে বাড়িতে গিয়েছিলেন, তারা কর্মস্থলে ফিরেছেন। পণ্য খালাসে সবাই ব্যস্ত সময় পার করছেন। রাজস্ব গ্রহণকারী সোনালী ব্যাংক বেনাপোল শাখা ব্যবস্থাপক এআরএম রকিবুল হাসান জানান, ৯ ও ১০ জুন দুদিনে বেনাপোল বন্দরে আমদানি পণ্য থেকে সরকারের কোষাগারে ২৮ কোটি ১১ লাখ টাকা রাজস্ব জমা পড়েছে যা অন্য সময়ের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বলে জানান তিনি।

বেনাপোল বন্দরের ট্রাফিক পরিদর্শক মনির হোসেন মজুমদার বলেন, ঈদ শেষে বন্দর থেকে পণ্য খালাসের চাপ অন্য সময়ের চেয়ে বেশি। খালাসকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে শিল্প-কারখানায় ব্যবহৃত মেশিনারিজ যন্ত্রাংশ, কাঁচামাল ও খাদ্যসামগ্রী। রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে পাট ও পাটজাত দ্রব্য, মাছ, গার্মেন্টস পণ্য ও কেমিক্যালসহ বিভিন্ন পণ্যদ্রব্য।