• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২০, ১৪ মাঘ ১৪২৬, ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের প্রাক-বাজেট আলোচনা

বাজেটে বেকার জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের রূপরেখা দাবি

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ এপ্রিল ২০১৯

আগামী অর্থবছরে (২০১৯-২০) বাজেটে কর্মসংস্থানের একটি রূপরেখা রাখার দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলন। গত রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক প্রাক বাজেট আলোচনায় সরকারের কাছে এ দাবি জানায় বেসরকারি সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত এ সংগঠনটি। এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সঞ্চালনায় ছিলেন অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের আবাসিক পরিচালক ফারাহ্ কবীর।

মূল প্রবন্ধে গণতান্ত্রিক বাজেট আন্দোলনের গবেষণা সম্পাদক মনোয়ার মোস্তফা বলেন, জাতীয় বাজেট কিংবা সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা এক রাজনৈতিক এলিট, আমলাতন্ত্র ও ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের নিরঙ্কুশ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বাজেটের সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ সীমিত হয়ে পড়েছে। যারা চাকরি করছেন, তাদের বেতন বাড়াচ্ছেন। যারা বেকার রয়েছেন, তাদের জন্য কী করছেন? তাই আগামী জাতীয় বাজেটে কর্মসংস্থানের একটি রূপরেখা থাকা দরকার। এ দেশের মোট কর্মসংস্থানের ৯৬ শতাংশ ব্যক্তিখাতের। কিন্তু ব্যক্তিখাতে বিনিয়োগ ২২-২৩ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে। আবুল কামাল আজাদ বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তা বাজেটের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে। একইসঙ্গে কতটুকু প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে, কতটকু হলো নাÑ সে বিষয় জনগণকে জানাতে হবে। সভায় সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। বলা হচ্ছে, দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য ভালো হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটছে না। দেশের ওপরের দিকের ৫ শতাংশ পরিবারের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৮৮ শতাংশ। নিচের দিকের ৫ শতাংশ পরিবারের আয় কমেছে ৫১ শতাংশ। বিশ্ব ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের মতো ভারতও শীর্ষ প্রবৃদ্ধি অর্জনকারী দেশের তালিকায় রয়েছে। মজার বিষয় হলো ভারতের ১০১ জন অর্থনীতিবিদ সম্প্রতি বিভ্রান্তির প্রবৃদ্ধি থেকে জনগণকে মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। ফারাহ কবীর বলেন, শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী বাজেটে এ বিষয়টি গুরুত্ব দিতে হবে। একইসঙ্গে দলিত শ্রেণীর জন্যও বাজেটে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। আলোচনায় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ডা. রশীদ ই মাহবুব বলেন, কমিউনিটি চিকিৎসার সুফল বিশ্বব্যাপী প্রচার করছে সরকার। এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হয়েছে বলা হচ্ছে। কিন্তু দরিদ্র মানুষ স্বাস্থ্যসেবার ৬৭ শতাংশ অর্থ নিজের পকেট থেকে ব্যয় করছে। এ ব্যয় জোগান দিতে গিয়ে দরিদ্রের সংখ্যা বাড়ছে।