• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ মহররম ১৪৪১

নতুন অফিসে কাজ শুরু বিজিএমইএ’র

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০১৯

রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে সরিয়ে উত্তরায় নতুন অফিসে দাফতরিক কাজ শুরু করেছে তৈরি পোশাক ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ। গত রোববার পুরাতন ভবন থেকে মালামাল সরিয়ে গতকাল থেকে নতুন ভবনে দাফতরিক কার্যক্রম শুরু করেছে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান। জমির স্বত্ত্ব না থাকা ও জলাধার আইন লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করায় হাতিরঝিলে অবস্থিত ভবনটি ভেঙে ফেলার রায় দেন উচ্চ আদালত। ভবনটি ছাড়তে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বিজিএমইএ’কে সময় বেঁধে দেয়া হয়। আদালতের রায়ে গতকাল থেকে নতুন অফিস শুরু করেছে সংগঠনটি। উত্তরা তৃতীয় পর্বে ১১০ কাঠা জমির ওপর বিজিএমইএ নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৩তলা ভবনের ৬তলার কাজ শেষ হয়েছে। ৩ এপ্রিল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্মাণাধীন ভবনটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিজিএমইএর সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ভবনের মালপত্র উত্তরার নতুন ভবনে স্থানান্তরের কাজ কিছুটা শেষ হয়েছে। গতকাল (সোমবার) থেকে আমরা সেখানে অফিস শুরু করেছি। প্রয়োজন হলে এক-দুটি বিভাগ পরে যাবে। উত্তরায় বিজিএমইএর নতুন ভবনে দুটি টাওয়ার হবে। সেখানে দুটি বেজমেন্ট ছাড়া ১৩তলা থাকবে। ভবনে মোট জায়গার (স্পেস) পরিমাণ ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৩ বর্গফুট। তার মধ্যে ৩ লাখ বর্গফুট নিজেদের ব্যবহারের জন্য রাখছে বিজিএমইএ। বাকি জায়গা ২৩টি প্রতিষ্ঠান কিনেছে। ভবনটিতে প্রদর্শনী কেন্দ্র, আধুনিক মিলনায়তন, দুটি সেমিনার কক্ষসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকবে। ভবনের পুরো নির্মাণকাজ আগামী বছরের জুনে শেষ হবে। ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে ওই ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’ উল্লেখ করে রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন। এর বিরুদ্ধে বিজিএমইএ লিভ টু আপিল করে যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়। রায়ে বলা হয়, ভবনটি নিজ খরচে অবিলম্বে ভাঙতে আবেদনকারীকে (বিজিএমইএ) নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে। এতে ব্যর্থ হলে রায়ের কপি হাতে পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে রাজউককে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেয়া হলো। পরে ভবন ছাড়তে উচ্চ আদালতের কাছে সময় চায় বিজিএমইএ। প্রথমে ছয় মাস ও পরে সাত মাস সময়ও পায় তারা। সর্বশেষ গত বছরের এপ্রিলে নতুন করে এক বছর সময় পায় সংগঠনটি। সে সময় তারা মুচলেকা দেয়, ভবিষ্যতে আর সময় চাওয়া হবে না।