• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১

তরুণদের বিনা জামানতে ব্যাংক ঋণ দেয়ার দাবি বিসিআই’র

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ এপ্রিল ২০১৯

তরুণদের জন্য বিনা জামানতে এবং সর্বনিম্ন সুদে ব্যাংকঋণ দেয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই)। গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের একটি হোটেলে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) নব-নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ।

এ সময় আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ আরও বলেন, বেকারত্ব দূর করতে তরুণদের ব্যবসায় বিশেষ সুযোগ করে দিতে হবে। নতুন তরুণ শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য ট্রেড লাইসেন্সের ফি সর্বোচ্চ তিনশ’ টাকা নির্ধারণসহ প্রথম পাঁচ বছর ট্যাক্স হলিডে দিতে হবে। স্কিল ডেভেলপমেন্টের জন্য সব ধরনের বিনিয়োগ করমুক্ত রাখা উচিত। শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের শ্রমিক নিয়োগ করলে বিশেষ কর সুবিধার আহ্বান জানান তিনি। বিসিআই সভাপতি বলেন, কিছুদিন পরই চলতি অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা হবে। আমরা ব্যবসাবান্ধব বাজেট চাই। প্রতিবছরই গ্যাসের মূল্য বাড়ে। চলতি বছরেও গ্যাসের মূল্য বাড়ানো হলে বড় বড় কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে, কমে যাবে আমাদের রপ্তানির পরিমাণ। তাছাড়া ছোট ও মাঝারি কারখানার জন্য হবে মরার ওপর খড়ার ঘা। আরও বিপদে পড়বে ছোট ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা। এর ফলে দেশের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর অনেক নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। মুনাফা করা সত্ত্বেও গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস শিল্প ও আবাসিক খাতে ১০২ দশমিক ৮৫ শতাংশ মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মূল্য বাড়ানোর পাশাপাশি তিতাস বিতরণ চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। এইভাবে গ্যাসের মূল্য বাড়ানো হলে শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে, এরফলে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। এতে ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, কমে যাবে দেশের রপ্তানি। এর ফলে এসএমই খাত ভয়াবহ বিপদের মুখে পড়বে। নেতিবাচক প্রভাব পড়বে দেশের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর। বাধাগ্রস্ত হবে ভিশন-২০৪১ ও এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে। সংবাদ সম্মেলনে বিসিআই সভাপতি বলেন, সরকারি-বেসরকারি প্রচেষ্টায় দেশের অর্থনীতি একটি শক্তিশালি অবস্থায় এসেছে। জাতীয় প্রবৃদ্ধি ৭ থেকে ৮ শতাংশের উপর স্থিতিশীল রয়েছে। জিডিপির এ ধারাকে অব্যাহত রাখা জরুরি। এজন্য ব্যক্তিখাত ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ নজর দিতে হবে।