• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২০, ০১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৩ জিলকদ ১৪৪১

টিকফার আসন্ন পঞ্চম বৈঠক

জিএসপির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২০

রাজধানী ঢাকায় কাল অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফোরাম এগ্রিমেন্টের (টিকফা) পঞ্চম বৈঠক। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রে স্থগিত থাকা বাংলাদেশের অগ্রাধিকার বাণিজ্য সুবিধা (জিএসপি) নিয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে মনে করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গতকাল সচিবালয়ে ঢাকায় সফররত সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়ার অ্যাসিট্যান্ট ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ (ইউএসটিআর) ক্রিস্টোফার উইলসনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের বাণিজ্যের আরও উন্নয়ন। ডিজিটাল ইকোনমি ও ওইসব ক্ষেত্রে কোন বাধা আছে কিনা, কাস্টমসে কোন সমস্যা আছে কিনা- এসব ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। ফাইন্যালি আমরা যেটা বলতে চাচ্ছি তারা ভেরিমাচ ইন্টারেস্টেড। এখন যুক্তরাষ্ট্রে যে সরকার আছে, তারা সেই সম্পর্কটা ডেভেলপ করতে চায়। সুতরাং তারা মনে করে বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য ভালো জায়গা। পরিবেশ চেঞ্জ হয়ে গেছে, আমরা আগাচ্ছি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে তারা গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। এসব বিবেচনায় আজকে একটু আলোচনা হয়েছে। ফাইন্যালি বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে আরও আলোচনা হবে, টিকফার বৈঠকে বসে। যেটুকু সম্ভব আলোচনা হবে, ফার্দার যদি আরও কিছু থাকে সেটা কন্টিনিউ হবে। ইউএসটিআরের যে প্রতিনিধি এসেছেন, তিনি খুব আশাবাদী আমাদের আলোচনা ফলপ্রসূ হবে।

তারা কোন খাতে বিনিয়োগ করতে চেয়েছেন?- এমন বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন তোমরা কোথায় চাও? আমি বলেছি, বাংলাদেশ ইজ ওপেন প্লেস। এটা বিনিয়োগ যে করবে সেটা তার ইচ্ছা যে, সে কোথায় বিনিয়োগ করতে চায়। লটস অব সেক্টরস আছে, আমি বলেছি অ্যাগ্রো বেইজ আছে, আমাদের অ্যাগ্রো প্রসেসিং জোন আছে, হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ আছে, বিভিন্ন সাইড রয়েছে। প্রাইভেট সেক্টরে বিনিয়োগ করতে হলে তারা পছন্দটা করবে। আমারা বলেছি, তোমরা লোক পাঠাও, যেখানে ইনভেস্ট করতে চায়, সেখানেই তারা করতে পারে। সরকার তো ব্যবসা সহজ করেছে, লাভ শতভাগ ফেরত নিতে পারবে, ৫ ও ১০ বছরের ট্যাক্স হলিডে আছে। সব সুবিধার কথা তাদের বলেছি। তারা শুনে গেল, বিনিয়োগকারীরা এসে যেখানে ভালো মনে করে সেখানে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবে।

টিকফা মিটিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য সূচির বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন ইস্যু রয়েছে যেমন- কটন ইস্যু আছে, কাস্টমের কিছু ইস্যু রয়েছে। আরও কিছু কিছু আছে যেগুলো নিয়ে কথাবার্তা হবে। লেবার ইস্যু নিয়ে কিছু ব্যাপার রয়েছে, তারা মনে করে এটাকে অ্যাড্রেস করা দরকার। ‘আমাদেরও যেমন ইস্যু আছে জিএসপি নিয়ে’ বলে বাণিজ্যমন্ত্রী।’ জিএসপির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে কোন আলোচনা হবে কিনা-জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সেটা নিয়েও আলোচনা হবে। সব ব্যাপারেই সেখানে খোলা মনে আলোচনা হবে। তারা পজেটিভ (ইতিবাচক) বলেই তো আলোচনা করতে এসেছেন। ওখানে আলোচনা করে...আবেদন করার কিছু নেই। সার্টেন ক্রাইটেরিয়া আছে, আলোচনা হবে, তারা যদি মনে করে এগুলো ফুলফিল করা হয়েছে। সেখানে সবকিছু নিয়ে আলোচনা হবে। অনেক পয়েন্ট আছে টিকফা নিয়ে, সেখানে আলোচনা হবে। আমাদের যে ইস্যুগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করব। মোট কথা এ প্ল্যাটফর্মে আমরা সব আলোচনা করতে চাই।

এ সময় বাণিজ্য সচিব মো. জাফর উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. ওবায়দুল আজম, অতিরিক্ত সচিব ও ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক মো. কামাল উদ্দিনসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।