• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১১ বৈশাখ ১৪২৫, ১৭ শাবান ১৪৪০

এক বছরে এসএমই ঋণ কমেছে ১৪ হাজার কোটি টাকা

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , রোববার, ১৪ এপ্রিল ২০১৯

বাংলাদেশের অর্থনীতির বিকাশে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণের কোন বিকল্প নেই। কারণ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও দরিদ্র দূরীকরণের অন্যতম খাত এসএমই। কিন্তু ২০১৮ সাল শেষে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণ বিতরণের দিক থেকে পিছিয়ে পড়েছে ব্যাংক খাত। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী গত বছর দেশের এসএমই খাতে ব্যাংকঋণ কমেছে ৭ শতাংশ। ২০১৭ সালে দেশের এসএমই খাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) বিতরণকৃত ঋণের স্থিতি ছিল ২ লাখ ২ হাজার ৪১০ কোটি টাকা। ২০১৮ সালে তা নেমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৮ হাজার ২৪৫ কোটি টাকায়। এক বছরের ব্যবধানে দেশের এসএমই খাতে ঋণ কমেছে ১৪ হাজার ১৬৫ কোটি টাকা।

সর্বশেষ প্রান্তিকে (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর) ৪৫ হাজার ৭২ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছে ৪ হাজার ৮১ কোটি টাকা। বিশেষায়িত ব্যাংক ৭৭১ কোটি টাকা, বিদেশি ব্যাংক ৫০৬ কোটি টাকা। বেসরকারি ব্যাংক ২৩ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা, ইসলামি ধারার ব্যাংক ১৪ হাজার ৫৪৪ কোটি টাকা এবং ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রষ্ঠানগুলো বিতরণ করেছে ১ হাজার ৮৯২ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট থাকায় শুধু এসএমই ঋণ নয় সব ঋণেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

এছাড়া ব্যাংক খাতের আকাশচুম্বি খেলাপি ঋণ ঠেকাতে বিতরণের চেয়ে আদায়ের দিকে বেশি মনোযোগ ছিল ব্যাংকগুলোর। যদিও কয়েক বছর ধরেই বড় ঋণ গুটিয়ে এসএমই খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির তাগিদ দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে এর ভিন্ন চিত্র। এসএমইতে ঋণের স্থিতি সংকুচিত হয়ে আসার পরও ২০১৮ সালে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। এ সময় মূলত বৃহৎ শিল্পে মেয়াদি ঋণই বেড়েছে সবচেয়ে বেশি।