• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২০ মার্চ ২০১৯, ৬ চৈত্র ১৪২৫, ১২ রজব ১৪৪০

আমদানি বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে জরিমানা

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , শনিবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৯

আমদানি বিল যথাসময়ে পরিশোধ করছে না কিছু ব্যাংক। এতে ব্যাংক ব্যবস্থার দক্ষতা নিয়ে বিদেশে প্রশ্ন উঠছে। এ পরিস্থিতিতে সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া কোন ব্যাংকের স্বীকৃত বিল বকেয়া থাকলে জরিমানা করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রাথমিকভাবে কোন ব্যাংকের কত টাকা বকেয়া রয়েছে, সে বিষয়ে তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত মঙ্গলবার ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, আমদানি বিল মূল্যে স্বীকৃতি দেওয়ার পরও যথাসময়ে পরিশোধ করা হচ্ছে না, যা অনভিপ্রেত। এমতাবস্থায় ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিশোধের জন্য নির্ধারিত যেসব আমদানি বিল মূল্য অপরিশোধিত রয়েছে, তা আগামী ১৩ জানুয়ারির মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে। বিলের বিভিন্ন তথ্যের পাশাপাশি বকেয়া থাকার সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।

এলসি আমদানিপত্রের আবেদন কমেছে ৭২ শতাংশ। বিভিন্ন কারণে দেশের সার্বিক এলসি খোলার হার ওঠানামা করে। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ৭১ দশমিক ৭৬ শতাংশ কমেছে খাদ্য পণ্য চাল এবং গম আমদানিপত্রের আবেদন। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত চাল এবং গমের বিপরীতে ৬২ কোটি ৬ লাখ ডলারের আমদানিপত্র জমা পড়েছে। কিন্তু আগের বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২১৯ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। খাদ্য পণ্যের পাশাপাশি মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানিপত্রেও টানপড়েছে। একই সময়ে প্রায় ২৭ শতাংশ কমেছে মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানির আবেদন। জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত মূলধনী যন্ত্রপাতিতে ১৯২ কোটি ৯০ লাখ ডলারের আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু ২০১৭ সালের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২৬২ কোটি ৭১ লাখ ডলার। মোটের উপরে ২০১৭ সালের প্রথম পাঁচ মাসের তুলনায় ২০১৮ সালে প্রায় ৩১ শতাংশ কমেছে আমদানিপত্রের আবদন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনী বছরে ব্যবসায়ীরা যে কোন ধরনের পণ্য আমদানি করতে ভয় পান। নির্বাচনের কারেণে সড়ক অবরোধের মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয় তাদের। নতুন বছরের জনুয়ারি মাস থেকে আবারে গতি ফিরবে বলে আশা করছেন তারা।