• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২০, ২৬ চৈত্র ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪১

অব্যবহৃত রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন উদ্যোক্তা তহবিল

    সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক
  • | ঢাকা , রোববার, ২০ অক্টোবর ২০১৯

একজন নতুন উদ্যোক্তা ব্যাংকে ধরনা দিয়ে ঋণ না পেলেও তাদের জন্য রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের তহবিল অব্যবহৃতভাবেই পড়ে আছে। ২০১৪ সালে নতুন উদ্যোক্তাদের স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার লক্ষ্যে গঠন করা হয় ১০০ কোটি টাকার তহবিল। কিন্তু গত পাঁচ বছরে এই তহবিল থেকে ঋণ বিতরণ হয়েছে মাত্র ২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ মাত্র ১ ভাগ তহবিলও ব্যবহৃত হয়েছে এই তহবিল থেকে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, তহবিলের ৮০ কোটি টাকাই অব্যবহৃত পড়ে আছে। বিষয়টি নিয়ে নড়ে চড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমানে নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট না থাকলেও ছোট উদ্যোক্তারা কম সুদে টাকা না পাওয়ার কারণ জানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুসন্ধানে নামছে। বিশ্লেষকরা জানান, অনভিজ্ঞ ও নতুন উদ্যোক্তাদের ঋণ দিতে চায় না ব্যাংক। অভিজ্ঞতার অভাবে সেই ঋণখেলাপি হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এছাড়াও ছোট ঋণ পরিচালনার জন্য কিছুটা বেশি কষ্ট করতে হয় ব্যাংকারদের। তাই ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে কোন ব্যাংকই আগ্রহী নয়। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত, ঝুঁকি থাকলেও রাষ্ট্রীয় ব্র্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এরকম তহবিলের সঙ্গে যুক্ত করা।

নতুন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন তহবিল স্কিম তৈরি করা হয়েছে। এই তহবিলের উদ্দেশ্য হলো- যে সব উদ্যোক্তার ছোট ব্যবসা আছে কিন্তু তহবিলের অভাবে ব্যবসা বড় করতে পারেননি কিংবা জামানতের অভাবে ব্যাংক থেকে ঋণও পাননি এমন উদ্যোক্তাকে বিনা জামানতে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ হারে ঋণ দেয়া। একজন গ্রাহক বিনা জামানতে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে। এ জন্য ৩৯টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে। কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ তহবিল থেকে ১৮ কোটি টাকা ও ৭টি প্রতিষ্ঠান দুই কোটি টাকা নিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মাঝে বিতরণ করে। বাকি ৮০ কোটি টাকা ২০১৪ সাল থেকেই অব্যবহৃত থেকে যায়।