• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯, ৬ ভাদ্র ১৪২৫, ২০ জিলহজ ১৪৪০

বিশেষ সুবিধার আবেদন

আরও তিন সপ্তাহ সময় পেল ঋণখেলাপিরা

সংবাদ :
  • অর্থনৈতিক বার্তা পরিবেশক

| ঢাকা , রোববার, ১১ আগস্ট ২০১৯

image

ঋণখেলাপিদের বিশেষ সুযোগ দিতে আবেদন করার সময় ৩ সপ্তাহ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে ১৬ অগাস্ট পর্যন্ত এ আবেদনের সময় দেয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তা বাড়িয়ে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। অনেক সমালোচনার মধ্যেই গত ১৬ মে বাংলাদেশ ব্যাংক ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে ৯ শতাংশ সুদে ১০ বছরে খেলাপি ঋণ পরিশোধের সুযোগ দিয়ে একটি সার্কুলার জারি করে। সেখানে তিন মাসের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছিল। ওই সময়ের পর এ সুবিধা আর পাওয়া যাবে না বলে সার্কুলারে জানান হয়েছিল। নতুন সার্কুলারে সময় বাড়ানো হলেও অন্যান্য শর্ত অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সময় বাড়ানোর কোন কারণ সেখানে উল্লেখ করা হয়নি। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের আবেদনে ২১ মে হাইকোর্ট ওই সার্কুলারের ওপর স্থিতাবস্থা জারির আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু পরে ঋণখেলাপিদের বিশেষ সুযোগ দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা সার্কুলারের ওপর হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে স্থগিত হয়ে যায়। অর্থ বিভাগের এক আবেদনে চেম্বার বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান হাইকোর্টের আদেশ ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। অর্থ বিভাগের পক্ষে চেম্বার আদালতে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের আবেদনে গত ২১ মে হাইকোর্ট ওই সার্কুলারের ওপর ২৪ জুন পর্যন্ত স্থিতাবস্থা বজার রাখার জন্য আদেশ দেয়। এরপর ২৪ জুন স্থিতাবস্থার মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানো হয়।

হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে অর্থ বিভাগ চেম্বার আদালতে আবেদন করলে বিচারক মঙ্গলবার তা স্থগিত করে দেন। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারের ওপর হাইকোর্টের স্থিতাবস্থার আদেশের কোন কার্যকারিতা আপাতত থাকল না।

এ অবস্থায় গত ৩১ জুলাই মুদ্রানীতি ঘোষণার দিন সাংবাদিকরা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোন সিদ্ধান্ত আছে কিনা জানতে চাইলে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে গভর্নর ফজলে কবির জানিয়েছিলেন। যার প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ওই সময় বাড়ানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে আদালতে জানান হয়েছিল, এ পর্যন্ত ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা খেলাপি ঋণসহ মোট ২ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণের হিসাব দেয়া হয়েছে বাস্তবায়ন প্রতিবেদনে। এর মধ্যে ৮০ হাজার কোটি টাকা এনপিআর (নন পারফর্মিং লোনস) হিসেবে দেখিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মামলার কারণে ওই টাকা আটকে আছে। ফলে এটাকে খেলাপি ঋণ বলা যাবে না। অবলোপিত ঋণের পরিমাণ দেখান হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা।