• banlag
  • newspaper-active
  • epaper

মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৯ আশ্বিন ১৪২৬, ২৪ মহররম ১৪৪১

২০১৯ সালে প্রকাশিত দশটি গ্রন্থ

| ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯

image

শরীর সংক্রান্ত কূটালাপ

মামুন হুসাইন

মামুন হুসাইন তাঁর সমকালের কথাশিল্পীদের মধ্যে স্বতন্ত্র। স্বতন্ত্র বিষয়ে, স্বতন্ত্র কৌশলে। মামুন গল্প গড়েন না, গল্প ভাঙেন। ঘটনা-সংশ্লেষ তাঁর অন্বিষ্ট নয়, ঘটনা-বিশ্লেষ তাঁর কৌশল। ভাঙতে ভাঙতে এক নতুন গল্প তৈরি হয় মামুনের হাতে, যাতে এই শিল্পীর সাধনা ও শৈলীকে অনুভব করা যায়, যা অধ্যবসয়ী পাঠকের জন্য হয়ে ওঠে মহার্ঘ। ‘শরীর সংক্রান্ত কূটালাপ’ শীর্ষক মামুন হুসাইনের বর্তমান যৌন-মনস্তাত্ত্বিক ন্যারেটিভ মাজেদা খাতুন-আব্দুল মজিদ দম্পতির গল্প। একই সাথে দেশ এবং বিশ্বের গল্প। সমগ্র সমকাল এবং ইতিহাসের আভাসকে অবলীলায় পুরে দিয়েছেন মামুন এর ভেতর। জীবনের বিষাদ বিবমিষার যোজন যোজন পথ অতিক্রম করে এই দম্পতি। সকল কূটতর্ক এবং মনোকূট অতিক্রম করে তারা জীবনের পক্ষে দাঁড়ায়। ‘শান্ত হও সুমঙ্গল;... আরো একটু চেষ্টা করি সুমঙ্গল, এসো বাঁচি, বেঁচে থাকা যাক।’ বইটি প্রকাশ করেছে ঘোড়াউত্রা।

পরাবাস্তবের আড়ালে

অশোক কর

চিরকাল হিসেবের বাইরে থেকেও হিসেবের মধ্যেই ঘুরপাক খায় কবি জীবন। কী থাকে কবিতার প্রান্তবিন্দুতে? কী খুঁজে পেয়েছেন কবি অশোক কর তার নক্ষত্রখচিত রাশিফল অন্বেষণ করে? ধারণা করা যায় পরাবাস্তবের আড়ালে তার মুগ্ধতার কথা; যা কিনা বিস্মরণের সীমা পেরিয়ে রচিত হয় মহাকাল ছুঁয়ে একাকী দাঁড়িয়ে থাকা মৃত্যু উপত্যকায়। কিন্তু সেই একাকিত্বের সংসার কি কোনোদিন উন্মোচিত হলো? এ রহস্যের উত্তর নিহিত থাকে অশোক করের কবিতায়। একদিকে নিকানোর পাররারের ভাষায় যদি বলি, কবিতায় সব কিছু চলে, অন্যদিকে এ কথাও প্রমাণিত যে কবিতা কিছুই বলে দেয় না। অশোক করের কবিতা সেই অনুদঘাটিত রহস্যকে ছুঁয়ে ব্যাপ্ত হয়। অসীম ও অজানার ঘোর নিভৃতকালে মানব জীবনের ভাঙচুর ও পরিণতি দেখতে পান কবি। তার অনির্বাণ স্মৃতিচ্ছ তাকে মুষড়ে দিতে পারে, আবার নস্টালজিয়ার তরঙ্গায়নে মুহূর্তে ভাসিয়ে নিতে পারে। অশোক করের কবিতার ছন্দবোধ এবং সর্বসাম্প্রতিক ভাষা ব্যবহারের নিপুণতায় তাকে সহজে আলাদা করে ভাবা যায়। এই স্বাতন্ত্র্য ‘পরাবাস্তবের আড়ালে’ লুকানো। বইটি কলকাতা থেকে প্রকাশ করেছে ‘পাঠক’।

যুদ্ধশেষে প্রেমের গল্প

সাদ কামালী

মন আর ময়না, প্রেমের রঙ সবুজ। বিষের সবুজ নদীতে ডুবি, ভাসি, খেলা করি। স্বার্থ নেই, বিরোধ নেই। প্রেমই আমাদের হৃদয়ে বন্ধনের সুতো। প্রেমই সার্বজনীন। আগে হৃদয়ে প্রেম তৈরি হতে দাও। তখন এমনিই মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যাবে। প্রেম ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা হওয়া যায় না। কিন্তু বাস্তবে এই যোগসূত্র সুদূর পরাহত। যুদ্ধ আসে যুদ্ধ হয়। দ্বিধা ও বিচ্ছিন্নতা আসে। যুদ্ধশত্রুরা সক্রিয় হয়ে ওঠে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি। শুরু হয় দ্বন্দ্ব। যুদ্ধ শেষেও থাকে প্রেম। আসে উত্তর প্রজন্ম। কখনো কখনো দেশপ্রেমিক ও রাজাকার মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। সেইসব দিনে আসে প্রেম। প্রেম কত অবিশ্বাস্যভাবে ঘনটনার জন্ম দেয়। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে অরিত্র প্রকাশনী।

জলে ভরা মেঘের দিকে

সুহিতা সুলতানা

গত শতকের আশির দশকের শক্তিমান কণ্ঠস্বর কবি সুহিতা সুলতানা। তার কবিতায় আত্মযন্ত্রণা শ্লাঘা দৈনন্দিন টানাপোড়েন ও আধুনিক সময়ের মানুষের ক্রমবিচ্ছিন্নতা বিবিধ অনুষঙ্গে অঙ্কিত হয়েছে। সমকালীন সংস্কার আর প্রচলিত বিধিগুলোর প্রতি নির্মম ঘৃণাবোধ তার কবিমানসকে ঋণাত্মক প্রবাহে প্রসূত হতে প্রাণিত করেছে। একজন প্রখর চেতনাসম্পন্ন কবি হিসেবে কবিতার মতো মৌলিক এবং গূঢ় শিল্পের বিশেষণে চৈতন্যকে তিনি স্পর্শ করতে চান। অসঙ্গতি যা জীবন যাপনের দোলাচরে দীর্ণ, সত্যোচ্চারণে ভীত, অন্যায়ের প্রতি আপোসহীন এসব ক্ষেত্রে সুহিতা সুলতানা তীব্র প্রতীকী। আক্রমণ করেন কূপমন্ডূক সময়, সমাজ ও মানুষকে। কবিতাকে তিনি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দিতে চান। বিষয় ও আঙ্গিকের নতুনত্বে তার কবিতার অখন্ড সৃজন সার্থক হয়ে উঠেছে। কবিতায় চমক সৃষ্টি করবার অসাধারণ ক্ষমতা সুহিতাকে দিয়েছে ব্যতিক্রমী কাব্যভুবন। ‘জলে ভরা মেঘের দিকে’ কাব্যগ্রন্থে সুহিতা সুলতানা এ সত্যকেই ধারণ করেছেন। বইটি প্রকাশ করেছে বেহুলা বাংলা।

বাংলাদেশের উর্দু ছোটগল্প

অনুবাদ- হাইকেল হাশমী

হাইকেল হাশমী কবি, গল্পকার ও অনুবাদক। সব কিছুতেই তিনি সহজ ও সাবলীলভাবে জীবনকে ছুঁয়ে যান। তিনি প্রচুর উর্দু গল্প ও কবিতার অনুবাদ করেছেন। আলোচ্য অনুবাদ গ্রন্থটি ‘বাংলাদেশের উর্দু ছোটগল্প’ নামে প্রকাশিত হয়েছে। বইটি সম্পর্কে অনুবাদক হাইকেল হাশমী বলেন, “গ্রন্থে আমি এমন গল্পকারদের গল্প বেছে নিয়েছি যারা দেশ ভাগের পর পূর্ব বাংলায় চলে এসেছিলেন এবং এখানে থেকেছেন আর এখানেই মৃত্যুবরণ করেছেন। কিছু লেখক এখানে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং এখানেই এখানেই বসবাস করেছেন। তাদের গল্পের উপাদান এই ভূমির মানুষ ও মাটি, এই অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না এবং আনন্দ-বেদনা। যদিও বাংলা ভাষায় উর্দু গল্পের অনেক সংকলন আছে কিন্তু শুধু বাংলাদেশী উর্দুভাষী লেখকদের গল্পের সংকলন কোনোদিন প্রকাশিত হয়েছে কিনা তা আমার জানা নেই।” গ্রন্থের অনুবাদ অত্যন্ত সাবলীল ও বিষয় নির্বাচনের দিক দিয়ে গল্পগুলো প্রত্যেকটিই সুখপাঠ্য। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে ‘গল্পকার’।

পাঠ্যবই

মুজিব ইরম

মুজিব ইরম তার সব বইকেই মনে করেন প্রথম বই। সেদিক থেকে বিচার করলে মুজিব ইরমের বর্তমান ‘পাঠ্যবই’ গ্রন্থটি তার ১৫তম প্রথম বই। মুজিব ইরমের কবিতা সিলেটী আঞ্চলিক ভাষার প্রাধান্যে রচিত এক অন্য স্বরের কবিতা। তার কবিতায় চিরকালের বাংলার চিরচেনা চেহারা এক অনন্য উজ্জ্বলতায় ফুটে ওঠে। বর্তমানে ইংল্যান্ড প্রবাসী কবি প্রতিনিয়ত তার দেশের কথা ও কাতর নস্টালজিয়ার অনুগামিতায় বিরহ ভারাতুর হয়ে থাকেন। হারনো গ্রাম, হারানো শৈশব, হারানো কৈশোর, নদী, খাল, হাওড়বাওড়, ঋতুবৈচিত্র্য তাকে মারাত্মক আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখতে চায়। মুজিবের কবিতায় সেই দেশপ্রেম ও অতীত কাতরতা বারবার ঘুরেফিরে আসে। পরবাসের বেদনা তিনি কবিতায় আঁকেন, কাব্যভাষায় অলঙ্কার পরিয়ে রাখেন। তার পাঠ্যবই গ্রন্থটি এমনি কিছু বিরহ ও নস্টালজিয়া সমাহার। বইটি প্রকাশ করেছে চৈতন্য।

স্বতন্ত্র কবিতা

ওবায়েদ আকাশ

ওবায়েদ আকাশের কাব্যভাষার নতুনত্ব ও ভিন্নতা এখন সর্বস্বীকৃত। গত শতকের নব্বইয়ের দশকে আবির্ভূত হয়ে তিনি তাঁর সময়কে চমকে দেন। নির্মাণ করেন এক ঈর্ষণীয় কাব্যভাষাÑ যা তাঁকে আজ অসংখ্য নতুনতর কবির আইডলে পরিণত করেছে। গড্ডল স্রোত থেকে নিজেকে ভিন্নধারায় প্রবাহিত করতে লেখালেখির মাধ্যম হিসেবে বেছে নেন লিটল ম্যাগাজিন। এবং শালুক নামে একটি লিটল ম্যাগাজিনও সম্পাদনা করছেন ২০ বছর ধরে। ওবায়েদ আকাশ কাউকে প্রতিদ্বন্দ্বি মনে করেন না, তিনি নিজেই তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি। নিজের কবিতা দিয়ে নিজেকে অতিক্রম করে যাওয়াতেই তাঁর আনন্দ। তাঁর প্রতিটি গ্রন্থে এই উল্লম্ফনের স্বাক্ষর রয়েছে। তাঁর কবিতা সর্বভুক হলেওÑ বাংলাদেশের শ্যামলহরিৎ প্রকৃতি ও নিসর্গবর্ণনা অনিবার্য অনুষঙ্গ। তারপর বিশ্ব ও পরাবিশ্ব। ‘স্বতন্ত্র কবিতা’ গ্রন্থটি তাঁর নিরীক্ষাধর্মী ও সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র কাব্যভাষার নির্বাচিত কবিতার সংকলন। আলোচ্য গ্রন্থে পাঠক এক নতুন স্বরের, ভিন্ন স্বাদের পাঠাভিজ্ঞতা অর্জন করবেন বলে গভীরভাবে বিশ্বাস করি। গ্রন্থটি প্রকাশ করেছে ভাষাচিত্র।

সুবাসিত শব্দের ঘুমঘোর

মাহফুজ আল-হোসেন

‘সুবাসিত শব্দের এক ঘুমঘোর’-এ আচ্ছন্ন কবি নিজের ভেতরের ‘আমি’কে ক্রমশ জাগিয়ে তুলতে চান অর্ধশতাব্দি প্রাচীন প্রগাঢ় শীতনিদ্রা থেকে। তাঁর পঙ্ক্তিবদ্ধ জন্মান্ধ শব্দেরা আপন ঔজ্জ্বল্যে চক্ষুষ্মাণ হৃদয়ের কাছে প্রত্যাশা করে নিঃশর্ত ভালোবাসার পরম আশ্রয়। চেতনার দুর্জ্ঞেয় অন্ধকারে কবিতা জাগৃতির দীপশিখা জ্বালবে কি-না এ দার্শনিক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে কবি শরণাপন্ন হয়েছেন নৈঃশব্দ্যের চারাগাছ থেকে সময়ের পরিক্রমায় বেড়ে ওঠা এক বোধিবৃক্ষের; মৌনী সে বৃক্ষের শাখাপ্রশাখায় প্রবাহিত বিবেচক বাতাস অবশেষে সুরভিত শব্দের তলদেশে পৌঁছে গিয়ে অনুমিত অবিদ্যার যতো মলিন ধুলো উড়িয়ে নেবে, সে আশাবাদও ব্যক্ত হয়েছে তাঁর রূপকাশ্রয়ী পঙ্ক্তিমালায়। কবি কংক্রিট সভ্যতার অসঙ্গত সংজ্ঞায়ন প্রত্যাখ্যান করে সমধরিত্রী জুড়েই সবুজের বিরুদ্ধে সংঘটিত সকল প্রকাশ্য ও নিভৃত নির্বিকার-নির্বিচার অপরাধের জন্য তাঁর নিজের, পূর্বপুরুষের সর্বোপরি সকলের পক্ষ থেকে ক্ষমাপ্রার্থী হয়েছেন আন্তরিক উচ্চারণে। তিনি সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম শ্লেষ (ironic precision)-এর মাধ্যমে সামাজিক অসঙ্গতিগুলোকে তুলে এনেছেন ব্যতিক্রমী প্রলাপসমূহে। বইটি প্রকাশ করেছে বেহুলা বাংলা।

আধিয়া

শেলী সেনগুপ্তা

‘আধিয়া’ একটি মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস। একাত্তরে ধূলিঝড়ে অন্ধকার হয়ে আসা একটুকরো বাংলাদেশের সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, প্রতিবাদ ও প্রত্যাশার কথকতা। অনাচারের কৃপাণ খড়গে ঘায়েল হওয়া অসহায় মানুষ কীভাবে সম্প্রীতি ও সম্পর্কের বুনটগুলোর স্বাভাবিকতা ধরে রাখে, সেটাই এখানে বর্ণিত হয়েছে। ‘আধিয়া’ মূলত একাত্তর, হায়েনার হাসি, মুক্তি উদ্ভাসিত যোদ্ধার ক্রোধ, হৃদয়ের দুর্বিনীত প্রেম, অবশেষে মুক্তির আনন্দ নিয়ে একটি ভোরের প্রত্যাশা। বইটি প্রকাশ করেছে নন্দিতা প্রকাশ।

অগ্নিপ্রভাত

সাঈদ আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের বিশাল ক্যানভাসে টুকরো টুকরো ঘটনা দিয়ে অগ্নিপ্রভাতে যে ছবি আঁকা হয়েছে, তার কেন্দ্রীয় চরিত্র হাবিল এবং তার স্ত্রী মরিয়ম। ১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চ রাতে পাকিস্তানিদের আচমকা আক্রমণের জেরে হাবিল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তার মা, ভাই আর স্ত্রীর কাছ থেকে। অন্তঃসত্ত্বা মরিয়ম শাশুড়ি-দেবরকে নিয়ে গ্রামে ফেরার সময়, তার চোখের সামনে শাশুড়িকে গুলি করে মেরে, দেবরকে ধরে নিয়ে যায় পাকিস্তানি মিলিটারি। অপ্রকৃতিস্থ মরিয়ম আশ্রয় পায় সন্তানহারা এক পিতার কাছে। কিন্তু সে আশ্রয়ও ছাড়ে একদিন মরিয়ম। স্বেচ্ছায়ই। একাকী বের হয় গ্রামে ফেরার উদ্দেশ্যে। অনিশ্চয়তা আর অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে পালিয়ে পালিয়ে মরিয়ম গর্ভের সন্তানকে রক্ষা করার চেষ্টা করে যায়। যেমন চেষ্টা করে যায় বাংলার আপামর জনগণ, শত ত্যাগের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনার। পাকিস্তানি পিশাচরা যে তান্ডব চালিয়েছিল নয়টি মাস, নয়টি পর্বে তার খন্ড খন্ড চিত্র তুলে ধরা হয়েছে অগ্নিপ্রভাতে। ধর্ষণ, লুণ্ঠন, হত্যা, ত্যাগ, প্রতিরোধ আর পাকিস্তানিদের দোসর দেশীয় বেইমানদের অত্যাচারের বর্ণনা অগ্নিপ্রভাত।

অসংখ্য তাজা প্রাণের আত্মত্যাগের কাহিনি। ...অগণ্য নারীর আর্তনাদের কাহিনি। দীপালি, মরিয়ম, কাঁকন, বাসনা, ফুলমালা এবং আরো আরো নারীর অসহায়ত্বের কাহিনি অগ্নিপ্রভাত। বইটি প্রকাশ করেছে অন্য প্রকাশ।

গ্রন্থনা : ওবায়েদ আকাশ